সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে আবার ইরানি হামলা: নিহত ২ ফিলিপিনো নাবিক


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

হরমুজ প্রণালিতে আবার ইরানি হামলা: নিহত ২ ফিলিপিনো নাবিক

ওমানের অদূরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ইরানি বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরবের জ্বালানি তেলবাহী একটি সুপারট্যাংকার।

'বাহরি সিদর' নামের ঐ বিশালাকার ট্যাংকারটিতে সৌদি আরবের প্রক্রিয়াজাত না করা অপরিশোধিত খনিজ তেল (ক্রুড অয়েল) পরিবাহিত হচ্ছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (৩১ আগস্ট) গভীর রাতে হরমুজ প্রণালির সংকীর্ণ সামুদ্রিক সীমানা পার হওয়ার সময় আকস্মিক এই প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে জাহাজটিতে কর্মরত দুই ফিলিপিনো নাবিক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। প্রায় একই সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি তেল বহনকারী আরও একটি সুপারট্যাংকারে একই ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে।
​উদ্ভূত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা নিরসন এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক কঠোর বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক নৌনিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তার প্রতি পূর্ণ সম্মান জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে।
উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত নাবিকদের সুরক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নৌপরিবহন কোম্পানি 'বাহরি'।
প্রতিষ্ঠানটি এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, "জাহাজটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ ও সামুদ্রিক খাতের অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।"
​পারস্য উপসাগরীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে সৌদি জাহাজে হামলার ঘটনা নতুন নয়, বরং গত কয়েক মাসে তা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে গত জুলাই মাসে ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় 'ওয়েদিয়ান' নামে বাহরি কোম্পানির অপর একটি সুপারট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছিল।
এছাড়া ইয়ামেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সরাসরি সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণার পর জুলাই ও আগস্ট মাসজুড়ে লোহিত সাগরে 'মাসা' ও 'আমজান' নামের বাহরি কোম্পানির আরও দুটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ একের পর এক হামলার মুখে পড়ে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সরাসরি সামরিক অভিযান চালানোর আগে পর্যন্ত বিশ্বের মোট ব্যবহৃত খনিজ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবাহিত হতো।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হরমুজ প্রণালিতে আবার ইরানি হামলা: নিহত ২ ফিলিপিনো নাবিক

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ওমানের অদূরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় ইরানি বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরবের জ্বালানি তেলবাহী একটি সুপারট্যাংকার।

'বাহরি সিদর' নামের ঐ বিশালাকার ট্যাংকারটিতে সৌদি আরবের প্রক্রিয়াজাত না করা অপরিশোধিত খনিজ তেল (ক্রুড অয়েল) পরিবাহিত হচ্ছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (৩১ আগস্ট) গভীর রাতে হরমুজ প্রণালির সংকীর্ণ সামুদ্রিক সীমানা পার হওয়ার সময় আকস্মিক এই প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে জাহাজটিতে কর্মরত দুই ফিলিপিনো নাবিক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। প্রায় একই সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি তেল বহনকারী আরও একটি সুপারট্যাংকারে একই ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে।
​উদ্ভূত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তেজনা নিরসন এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক কঠোর বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক নৌনিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তার প্রতি পূর্ণ সম্মান জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে।
উদ্ভূত সংকট মোকাবিলায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত নাবিকদের সুরক্ষায় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নৌপরিবহন কোম্পানি 'বাহরি'।
প্রতিষ্ঠানটি এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, "জাহাজটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ ও সামুদ্রিক খাতের অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।"
​পারস্য উপসাগরীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে সৌদি জাহাজে হামলার ঘটনা নতুন নয়, বরং গত কয়েক মাসে তা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এর আগে গত জুলাই মাসে ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় 'ওয়েদিয়ান' নামে বাহরি কোম্পানির অপর একটি সুপারট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছিল।
এছাড়া ইয়ামেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সরাসরি সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণার পর জুলাই ও আগস্ট মাসজুড়ে লোহিত সাগরে 'মাসা' ও 'আমজান' নামের বাহরি কোম্পানির আরও দুটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ একের পর এক হামলার মুখে পড়ে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সরাসরি সামরিক অভিযান চালানোর আগে পর্যন্ত বিশ্বের মোট ব্যবহৃত খনিজ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবাহিত হতো।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত