নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫২ জনে। নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৪ হাজার ২১৬ জন। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের হিসাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে চিতওয়ান জেলায়- ৩৫৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৮টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে নওয়ালপারাসি পূর্বে, ২০৮টি নওয়ালপারাসি পশ্চিমে এবং ১৭৭টি নুয়াকোটে। দুর্যোগের সূতিকাগার রাসুয়ায় মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।
এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ১ হাজার ২৫২টি মৃতদেহের মধ্যে মাত্র ৯৫টি শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিক, বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিক, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সরকারি কর্মচারী রয়েছেন। একা বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।
২১ হাজারের বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য উদ্ধার, ত্রাণ ও স্বস্তি কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৯১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নেপালি সেনাবাহিনী ৭১৫টি হেলিকপ্টার উড়ানে ৪ হাজার ৩৬৪ জনকে উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে ২৭৩ জন বিদেশি নাগরিক।
নুয়াকোট, ধাদিঙ, রাসুয়া ও কাঠমান্ডুতে প্রায় ৩ হাজার ৯৫০ জন বাস্তুচ্যুত মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর কারণে বিচ্ছিন্ন জনপদে হেলিকপ্টার ও সড়কপথে ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবাও পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।
নেপাল টেলিকম জানিয়েছে, তাদের ১১০টি ক্ষতিগ্রস্ত টাওয়ার সব পুনরায় চালু হয়েছে এবং এনসেলের ৭৮টির মধ্যে ৭৫টি টাওয়ার সচল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫২ জনে। নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৪ হাজার ২১৬ জন। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিআরআরএমএ) বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের হিসাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে চিতওয়ান জেলায়- ৩৫৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৮টি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে নওয়ালপারাসি পূর্বে, ২০৮টি নওয়ালপারাসি পশ্চিমে এবং ১৭৭টি নুয়াকোটে। দুর্যোগের সূতিকাগার রাসুয়ায় মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।
এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ১ হাজার ২৫২টি মৃতদেহের মধ্যে মাত্র ৯৫টি শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিক, বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিক, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সরকারি কর্মচারী রয়েছেন। একা বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।
২১ হাজারের বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য উদ্ধার, ত্রাণ ও স্বস্তি কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৯১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নেপালি সেনাবাহিনী ৭১৫টি হেলিকপ্টার উড়ানে ৪ হাজার ৩৬৪ জনকে উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে ২৭৩ জন বিদেশি নাগরিক।
নুয়াকোট, ধাদিঙ, রাসুয়া ও কাঠমান্ডুতে প্রায় ৩ হাজার ৯৫০ জন বাস্তুচ্যুত মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর কারণে বিচ্ছিন্ন জনপদে হেলিকপ্টার ও সড়কপথে ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ সেবাও পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।
নেপাল টেলিকম জানিয়েছে, তাদের ১১০টি ক্ষতিগ্রস্ত টাওয়ার সব পুনরায় চালু হয়েছে এবং এনসেলের ৭৮টির মধ্যে ৭৫টি টাওয়ার সচল হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন