সংবাদ

ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামল হুতিরা: ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১২:২৬ পিএম

ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামল হুতিরা: ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিয়ে চার সপ্তাহের নীরবতা ভেঙে সরাসরি ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি। ইসরাইলের বিভিন্ন সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। হুতিদের এই আকস্মিক পদক্ষেপে লোহিত সাগরসহ সংলগ্ন অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

হুতিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হেনেছে। যদিও এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা কার্যকারিতা ইরানের সরাসরি হামলার তুলনায় কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা, তবে এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

হুতিদের এই যুদ্ধে জড়ানো সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে:

  • বাব এল-মান্দেব প্রণালী: হুতিরা যদি পুনরায় এই পথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়, তবে বৈশ্বিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।
  • জ্বালানি সংকট: হরমুজ প্রণালীতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকায় লোহিত সাগরের এই অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে জ্বালানি ও সরবরাহ সংকট তৈরি করতে পারে।
  • আঞ্চলিক ঝুঁকি: সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনাগুলোও এখন হুতিদের নিশানায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

অতীতে হুতিদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সরাসরি ইয়েমেনে বিমান হামলা চালিয়েছে। এবারও তেমন কোনো কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর ইয়েমেন যে সামান্য স্থিতিশীলতা অর্জন করেছিল, এই আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় দেশটির অভ্যন্তরীণ সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

হুতিরা শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে কতটা অগ্রসর হবে এবং লোহিত সাগরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামল হুতিরা: ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিয়ে চার সপ্তাহের নীরবতা ভেঙে সরাসরি ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি। ইসরাইলের বিভিন্ন সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। হুতিদের এই আকস্মিক পদক্ষেপে লোহিত সাগরসহ সংলগ্ন অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

হুতিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হেনেছে। যদিও এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা কার্যকারিতা ইরানের সরাসরি হামলার তুলনায় কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা, তবে এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

হুতিদের এই যুদ্ধে জড়ানো সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে:

  • বাব এল-মান্দেব প্রণালী: হুতিরা যদি পুনরায় এই পথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়, তবে বৈশ্বিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।
  • জ্বালানি সংকট: হরমুজ প্রণালীতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকায় লোহিত সাগরের এই অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে জ্বালানি ও সরবরাহ সংকট তৈরি করতে পারে।
  • আঞ্চলিক ঝুঁকি: সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনাগুলোও এখন হুতিদের নিশানায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

অতীতে হুতিদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সরাসরি ইয়েমেনে বিমান হামলা চালিয়েছে। এবারও তেমন কোনো কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর ইয়েমেন যে সামান্য স্থিতিশীলতা অর্জন করেছিল, এই আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় দেশটির অভ্যন্তরীণ সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

হুতিরা শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে কতটা অগ্রসর হবে এবং লোহিত সাগরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত