ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে মাদক পাচার, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ধারাবাহিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)। গত ২৮ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ১৬ দিনে পরিচালিত ১৫টি পৃথক অভিযানে ২৩ জনকে আটকের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তজুড়ে পরিচালিত এসব অভিযানে ৪৩৩ বোতল ভারতীয় মদ ও ফেনসিডিল, ২৭৭ বোতল বিভিন্ন মাদক সিরাপ (ইস্কুফ, ওয়ান্সারেক্স ও কোডিন ফসফেট), ১,২৯৩টি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ২৮টি ইয়াবা বড়ি, ৫,৬০০-এর বেশি চোরাচালানি ওষুধ ও ১ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইমিটেশন গয়না, প্রসাধনসামগ্রী ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব মালের দাপ্তরিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
একই সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে ২০ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন ভারতীয় নাগরিকসহ মোট ২৩ জনকে আটক করা হয়। আটক বাংলাদেশিরা ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, পিরোজপুর ও চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। আটক ভারতীয়দের মধ্যে নয়াদিল্লির বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৭০) ও তার ছেলে মো. শফিকুল (৩৫) রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম বলেন, “মহেশপুর সীমান্তকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত রাখতে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত কাজ করছেন। সীমান্ত সুরক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। যেকোনো অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিজিবির এই ধারাবাহিক অভিযান সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। আটক ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত মালামালের বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ ও বিজিবি সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে মাদক পাচার, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ধারাবাহিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)। গত ২৮ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ১৬ দিনে পরিচালিত ১৫টি পৃথক অভিযানে ২৩ জনকে আটকের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তজুড়ে পরিচালিত এসব অভিযানে ৪৩৩ বোতল ভারতীয় মদ ও ফেনসিডিল, ২৭৭ বোতল বিভিন্ন মাদক সিরাপ (ইস্কুফ, ওয়ান্সারেক্স ও কোডিন ফসফেট), ১,২৯৩টি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ২৮টি ইয়াবা বড়ি, ৫,৬০০-এর বেশি চোরাচালানি ওষুধ ও ১ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইমিটেশন গয়না, প্রসাধনসামগ্রী ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব মালের দাপ্তরিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
একই সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে ২০ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন ভারতীয় নাগরিকসহ মোট ২৩ জনকে আটক করা হয়। আটক বাংলাদেশিরা ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, পিরোজপুর ও চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। আটক ভারতীয়দের মধ্যে নয়াদিল্লির বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৭০) ও তার ছেলে মো. শফিকুল (৩৫) রয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম বলেন, “মহেশপুর সীমান্তকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত রাখতে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত কাজ করছেন। সীমান্ত সুরক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। যেকোনো অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিজিবির এই ধারাবাহিক অভিযান সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। আটক ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত মালামালের বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ ও বিজিবি সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন