শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক। এতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসবে বলে জানা গেছে। খবর আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বিবিসির।
জানা যায়, বৈঠকের শুরুতেই শি-কে উদ্দেশ করে যেসব উষ্ণ মন্তব্য করেছেন, তা আলোচনার শুরুতেই চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমমর্যাদার শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্টিমসন সেন্টারের ‘রিইমাজিনিং ইউএস গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি প্রোগ্রাম’-এর গবেষক কেলি গ্রিয়েকো বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের এমন বক্তব্য মূলত দুই দেশের আলোচনাকে সমতার জায়গায় নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, উড়োজাহাজ এবং অন্যান্য পণ্য কেনার বিষয়ে চুক্তি করে। গ্রিয়েকোর ভাষায়, ট্রাম্প দেশে ফিরে গিয়ে বলতে চাইবেন যে তিনি ‘ভালো চুক্তি’ করে এসেছেন।
তবে তিনি মনে করেন, গত এক বছরে চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের শুল্কনীতি খুব একটা সফল হয়নি। ফলে এখন যুক্তরাষ্ট্রের দর-কষাকষির অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, বেইজিংও বিরল খনিজ বা ‘রেয়ার আর্থ’ ইস্যুতে নিজেদের শক্ত অবস্থান দেখিয়েছে। এই ধাতুগুলো ইলেকট্রনিকস ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আরেকটি বড় লক্ষ্য হবে চীনকে বোঝানো যাতে বেইজিং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখে। তবে কেলি গ্রিয়েকো মনে করেন, চীন যদি এ ক্ষেত্রে কোনো সহায়তা করে, তাহলে তারা বিনিময়ে কিছু চাইবেই।
এর পাশাপাশি ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও গুরুত্বর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন দুই নেতা।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক। এতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসবে বলে জানা গেছে। খবর আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা বিবিসির।
জানা যায়, বৈঠকের শুরুতেই শি-কে উদ্দেশ করে যেসব উষ্ণ মন্তব্য করেছেন, তা আলোচনার শুরুতেই চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সমমর্যাদার শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্টিমসন সেন্টারের ‘রিইমাজিনিং ইউএস গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি প্রোগ্রাম’-এর গবেষক কেলি গ্রিয়েকো বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্পের এমন বক্তব্য মূলত দুই দেশের আলোচনাকে সমতার জায়গায় নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্প চাইবেন চীন যেন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য, উড়োজাহাজ এবং অন্যান্য পণ্য কেনার বিষয়ে চুক্তি করে। গ্রিয়েকোর ভাষায়, ট্রাম্প দেশে ফিরে গিয়ে বলতে চাইবেন যে তিনি ‘ভালো চুক্তি’ করে এসেছেন।
তবে তিনি মনে করেন, গত এক বছরে চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের শুল্কনীতি খুব একটা সফল হয়নি। ফলে এখন যুক্তরাষ্ট্রের দর-কষাকষির অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, বেইজিংও বিরল খনিজ বা ‘রেয়ার আর্থ’ ইস্যুতে নিজেদের শক্ত অবস্থান দেখিয়েছে। এই ধাতুগুলো ইলেকট্রনিকস ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের আরেকটি বড় লক্ষ্য হবে চীনকে বোঝানো যাতে বেইজিং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখে। তবে কেলি গ্রিয়েকো মনে করেন, চীন যদি এ ক্ষেত্রে কোনো সহায়তা করে, তাহলে তারা বিনিময়ে কিছু চাইবেই।
এর পাশাপাশি ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও গুরুত্বর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন দুই নেতা।

আপনার মতামত লিখুন