“ব্যাপার কী, কোন ব্যাটায় বিয়া করলো না কোন ব্যাটায় বিয়া বইলো এইসব কি জেন-জি’র পোলাপানে বুঝবো!”
“কেন কেন বিবাহ একটি পবিত্র পারিবারিক বন্ধন এটা বর্তমান জেনারেশন বুঝবে না কেন?”
“আরে বিবাহ তো একটি পবিত্র পারিবারিক বন্ধন, এইডা পিরথীবির ব্যাবাক জেনারেশন মানবো এবং বুইজ্জা নিবো এই নিয়া কুনোই সন্দ নাই, কিন্তু বিয়াই করিনাই এইডার মাইনে আপনে কি কোইতে চান হ্যেইডা বুজবো না।”
“বুঝবে বুঝবে, আমাদের ছোট বেলার একটা ছোট্ট ছড়া আছে ওটা বললেই তোর পৃথিবীর সব জেনারেশনই ব্যাপারটা বুঝবে। ”
“ঠিক আছে, কন চাইন দেহি আপনের ছুট্টু বেলার ছড়া না কবিতা।”
“ওরে এটা পয়ার ছন্দের কবিতা না, এটা হলো প্রচলিত ছড়া। ”
“ধাৎ হালায় বাঙালি খালি প্যাঁচায় “টা পয়ার ছন্দের কবিতা না, এটা হলো প্রচলিত ছড়া” ভাইডিনা ভালা, আকামে ছড়ায় ছড়ায় ছন্দ না কয়া আসল ছড়া কনতো শুনি?”
“শোন তাহলে আমাদের ছোটবেলার ছড়া। ”
“লন শুরু করেন।”
“আতা গাছে তোতা পাখি / ডালিম গাছে মৌ / গভীর রাতে উঠে দেখি / পাশে নাই বৌ / রাতের বেলা কোথা গেল / কোথায় তারে পাই/ হঠাৎ করে পড়ল মনে / আরে আমি বিয়াই তো করি নাই।”
“হি হি, দারুণ জিনিস হুনাইলেন মিয়া। অহনো হি হি, হাসি চাইপ্পা রাখার পারি না, হি হি।”
“ঠিক আছে ছড়াটা হাস্যরসের আবেদন রাখে, কিন্তু তাই বলে তোর মতো এ্যতো হাসির কিছু নেই যে, ছড়া শোনার পর থেকে এখনও খ্যাক খ্যাক করে হাসছিস।”
“হাসমু না! কন কী? কী সুন্দর ছড়া, যেই জিনিসটার কুনোই ঠিকানা নাই, কুনোই অস্তিত্ব নাই, হালায় হেই বেডির মানে হেই বৌ’এর তালাশ করতাছে। হি হি।”
“এটাতো কেবল একটা ছড়ারে, এটা নিয়ে অস্তিত্ববাদ, নাস্তিত্ববাদ এসবের মাঝে জড়াচ্ছিস কেন?”
“ভাই না ঢাবি বাংলায় অনার্স?”
“হ্যাঁ, তো কী হয়েছে!” এই কথা কোইতে আপনের লজ্জা করে না! আপনে বুঝেন না, “আতা গাছে তোতা পাখি / ডালিম গাছে মৌ/ গভীর রাতে উঠে দেখি / পাশে নাই বৌ / রাতের বেলা কোথা গেল / কোথায় তারে পাই? / হঠাৎ করে পড়লো মনে / আরে আমি বিয়াই তো করি নাই। এই ছড়ার মূল বক্তব্য কী?”
“ছড়াতো ছড়াই এর আবার মূল বক্তব্য কী?”
“হুর মিয়া আপনে বুঝছেন, এই ছড়া কতো সুন্দর কোইরা আমাগো বাংলাদেশের পরিস্থিতি তুইল্লা ধরছে। যেই জিনিসটা নাই, যেই জিনিসটার জন্মও হয় নাই, হেই জিনিসটা আমরা খুঁইজ্জা বেড়াইতেছি। মনে করেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র আছে? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু গোয়ালে নাই! বাংলাদেশে নিয়মের শাসন? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু কাচারিতে নাই! বাংলাদেশে মানবাধিকার? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু সমাজে নাই! আপনের সার্বভৌমত্তের চারটা পয়েন্ট...”
“থাম ভাই থাম, আমার ঘাট হয়েছে। তোকে আমার ছড়া বলাটাই ভুল হোয়েছে।”
“ভুল হোইসে মাইনে! এই যে কয়’দিন আগে এক শুভ্রকেশ মহিলা কোইলেন, বাংলাদেশে যাগো গুল্লি ফুটানের কথা হ্যারা ময়রার পোলার মতো, মিষ্টি বেচে। যাগো দ্যাশের সীমান্তে ব্যাড়া দেয়ার কথা, হেই কাম থুয়া, হ্যারা প্রইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের মানে পিপিপি-এর, ব্যাবাগ ব্যাবসা বাগায়া লইতাছে।”
“ভদ্রমহিলাতো বাংলাদেশের বাস্তাব চিত্র তুলে ধরেছেন, ওদের ব্যাংক আছে, হসপিটাল আছে, মেডিকেল কলেজ রয়েছে, মরার আগে হোলেওতো কেউ একজন সাহস করে সত্যি কথা বলেছেন, এটা তুই অ্যাপ্রেশিয়েট কোরবি না?”
“অ্যপ্রিশিয়েট! আপনে তো দেখি চোখ থাকিতে অন্ধ! লজ্জা করে না মিয়া, রাজনৈতিক নেতারা, হ্যাগো পায়ে ত্যেল মাইরা, ক্ষমতায় বওনের লাইগ্যা বৌ-বাচ্চা, পোলাপান ব্যেবাগতে মিল্লা হ্যেগো পাঁ’চাটেন, তো হ্যেগোরে ব্যবসা দিবেন না! হ্যারা আপনে আপনে, আপনেরে গদিত বহায়া চৌদ্দগুষ্টিসহ মাল কামাইনের সুযোগ কোইরা দিবো, আর আপনে হ্যেগোরে কিছু দিবেন না! হ্যাগো বাজেট ওপেন না গোপেন, হ্যেই লয়া আপনের জ্বলে ক্যা। আমি কিন্তু কয়া দিলাম হ্যারা আছে বইল্লাই দেশটা অহনো টিক্কা আছে। নাইলে আপনেগো মতো পিচাশ পলিটিশিয়ানগো হাতে দেশটা পড়লে কবেই আপনেগো নিজেগো, কামড়াকামড়ির ঠ্যেলায়, পাবলিকে আমেরিকারে, নাইলে চীন বা ভারতরে হাইদ্দা ডাইক্কা আইন্না দেশ চালানোর সুযোগ দিতো।”
“এটা আবার কী বলছিস, জনগণ, লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আবার বিসর্জন দিতো!”
“দিবো না মিয়া, গত চুয়ান্ন বছরে আপনেরা হালায় ট্যাকা ট্যাকা কোইরা, সাধারণ পাবলিকের কথা ভুইল্লা, অহন মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা পরাইছেন, বুলডোজার দিয়া ঘরবাড়ি গুড়া গুড়া কোরছেন! এই নাকি আপনের স্বাধীনতা! চিফ ইলেকশান কমিশনারের গালে জুতার বাড়ি মারলেন, জুতার মালা পরাইলেন...আপনেরা কুনোই বাঙালি এর প্রতিবাদ কোরলেন না! অথচ ভারতের মুদির লোকেরা কোইছে, যেই ব্যাডায় মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা পরাইছিলা, হ্যাগো এবার গলায় দড়ি পড়বো। মাইনে হ্যাগোরে ফাঁসিতে লটকাইবো।”
“যাহ তাই হয় নাকি? ভিন দেশ থেকে এসে আমাদের দেশের নাগরিক, আমাদের ভাইব্রাদারদের ফাঁসি দিবে তা হয় নাকি!”
“তা হয় নাকি, না কী হয়, হেই ভবিষ্যৎ তো আমি কয়া পারুম না। তয় দেহেন সামনে কী হয়। তয় বর্তমান বাংলদেশ লয়া আমিভি, একটা ছড়া লিখছি...”
“তুই লিখেছিস ছড়া? ভ্যারেন্ডা আবার বৃক্ষ!”
“খামখা মজা কোইরেন না। হুইন্না দ্যাখেন মজা পাইবেন। ”
“বল শুনি, কুঁজো যখন চিৎ হোয়ে শুতে চায়, তখন আমার কী? বল তোর ছড়া।”
“চারিদিকে হাম হাম / বাচ্চা মরে হাজার / বদ্যির কাছে ছুইট্টা গ্যালো/ বাপে-মায়ে ব্যাজার/ বদ্যি কয়
এ্যতো রোগী / অষুধ কোথা পাই/ হঠাৎ করে পড়ল মনে/ আরে হামের টিকাই কিনি নাই” হি হি হি।
ক্যেমন লাগলো ছড়াটা?”
“তোর ছড়া হাসির নয়রে বোধের...”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
“ব্যাপার কী, কোন ব্যাটায় বিয়া করলো না কোন ব্যাটায় বিয়া বইলো এইসব কি জেন-জি’র পোলাপানে বুঝবো!”
“কেন কেন বিবাহ একটি পবিত্র পারিবারিক বন্ধন এটা বর্তমান জেনারেশন বুঝবে না কেন?”
“আরে বিবাহ তো একটি পবিত্র পারিবারিক বন্ধন, এইডা পিরথীবির ব্যাবাক জেনারেশন মানবো এবং বুইজ্জা নিবো এই নিয়া কুনোই সন্দ নাই, কিন্তু বিয়াই করিনাই এইডার মাইনে আপনে কি কোইতে চান হ্যেইডা বুজবো না।”
“বুঝবে বুঝবে, আমাদের ছোট বেলার একটা ছোট্ট ছড়া আছে ওটা বললেই তোর পৃথিবীর সব জেনারেশনই ব্যাপারটা বুঝবে। ”
“ঠিক আছে, কন চাইন দেহি আপনের ছুট্টু বেলার ছড়া না কবিতা।”
“ওরে এটা পয়ার ছন্দের কবিতা না, এটা হলো প্রচলিত ছড়া। ”
“ধাৎ হালায় বাঙালি খালি প্যাঁচায় “টা পয়ার ছন্দের কবিতা না, এটা হলো প্রচলিত ছড়া” ভাইডিনা ভালা, আকামে ছড়ায় ছড়ায় ছন্দ না কয়া আসল ছড়া কনতো শুনি?”
“শোন তাহলে আমাদের ছোটবেলার ছড়া। ”
“লন শুরু করেন।”
“আতা গাছে তোতা পাখি / ডালিম গাছে মৌ / গভীর রাতে উঠে দেখি / পাশে নাই বৌ / রাতের বেলা কোথা গেল / কোথায় তারে পাই/ হঠাৎ করে পড়ল মনে / আরে আমি বিয়াই তো করি নাই।”
“হি হি, দারুণ জিনিস হুনাইলেন মিয়া। অহনো হি হি, হাসি চাইপ্পা রাখার পারি না, হি হি।”
“ঠিক আছে ছড়াটা হাস্যরসের আবেদন রাখে, কিন্তু তাই বলে তোর মতো এ্যতো হাসির কিছু নেই যে, ছড়া শোনার পর থেকে এখনও খ্যাক খ্যাক করে হাসছিস।”
“হাসমু না! কন কী? কী সুন্দর ছড়া, যেই জিনিসটার কুনোই ঠিকানা নাই, কুনোই অস্তিত্ব নাই, হালায় হেই বেডির মানে হেই বৌ’এর তালাশ করতাছে। হি হি।”
“এটাতো কেবল একটা ছড়ারে, এটা নিয়ে অস্তিত্ববাদ, নাস্তিত্ববাদ এসবের মাঝে জড়াচ্ছিস কেন?”
“ভাই না ঢাবি বাংলায় অনার্স?”
“হ্যাঁ, তো কী হয়েছে!” এই কথা কোইতে আপনের লজ্জা করে না! আপনে বুঝেন না, “আতা গাছে তোতা পাখি / ডালিম গাছে মৌ/ গভীর রাতে উঠে দেখি / পাশে নাই বৌ / রাতের বেলা কোথা গেল / কোথায় তারে পাই? / হঠাৎ করে পড়লো মনে / আরে আমি বিয়াই তো করি নাই। এই ছড়ার মূল বক্তব্য কী?”
“ছড়াতো ছড়াই এর আবার মূল বক্তব্য কী?”
“হুর মিয়া আপনে বুঝছেন, এই ছড়া কতো সুন্দর কোইরা আমাগো বাংলাদেশের পরিস্থিতি তুইল্লা ধরছে। যেই জিনিসটা নাই, যেই জিনিসটার জন্মও হয় নাই, হেই জিনিসটা আমরা খুঁইজ্জা বেড়াইতেছি। মনে করেন বাংলাদেশে গণতন্ত্র আছে? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু গোয়ালে নাই! বাংলাদেশে নিয়মের শাসন? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু কাচারিতে নাই! বাংলাদেশে মানবাধিকার? কাজীর খাতায় আছে, কিন্তু সমাজে নাই! আপনের সার্বভৌমত্তের চারটা পয়েন্ট...”
“থাম ভাই থাম, আমার ঘাট হয়েছে। তোকে আমার ছড়া বলাটাই ভুল হোয়েছে।”
“ভুল হোইসে মাইনে! এই যে কয়’দিন আগে এক শুভ্রকেশ মহিলা কোইলেন, বাংলাদেশে যাগো গুল্লি ফুটানের কথা হ্যারা ময়রার পোলার মতো, মিষ্টি বেচে। যাগো দ্যাশের সীমান্তে ব্যাড়া দেয়ার কথা, হেই কাম থুয়া, হ্যারা প্রইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের মানে পিপিপি-এর, ব্যাবাগ ব্যাবসা বাগায়া লইতাছে।”
“ভদ্রমহিলাতো বাংলাদেশের বাস্তাব চিত্র তুলে ধরেছেন, ওদের ব্যাংক আছে, হসপিটাল আছে, মেডিকেল কলেজ রয়েছে, মরার আগে হোলেওতো কেউ একজন সাহস করে সত্যি কথা বলেছেন, এটা তুই অ্যাপ্রেশিয়েট কোরবি না?”
“অ্যপ্রিশিয়েট! আপনে তো দেখি চোখ থাকিতে অন্ধ! লজ্জা করে না মিয়া, রাজনৈতিক নেতারা, হ্যাগো পায়ে ত্যেল মাইরা, ক্ষমতায় বওনের লাইগ্যা বৌ-বাচ্চা, পোলাপান ব্যেবাগতে মিল্লা হ্যেগো পাঁ’চাটেন, তো হ্যেগোরে ব্যবসা দিবেন না! হ্যারা আপনে আপনে, আপনেরে গদিত বহায়া চৌদ্দগুষ্টিসহ মাল কামাইনের সুযোগ কোইরা দিবো, আর আপনে হ্যেগোরে কিছু দিবেন না! হ্যাগো বাজেট ওপেন না গোপেন, হ্যেই লয়া আপনের জ্বলে ক্যা। আমি কিন্তু কয়া দিলাম হ্যারা আছে বইল্লাই দেশটা অহনো টিক্কা আছে। নাইলে আপনেগো মতো পিচাশ পলিটিশিয়ানগো হাতে দেশটা পড়লে কবেই আপনেগো নিজেগো, কামড়াকামড়ির ঠ্যেলায়, পাবলিকে আমেরিকারে, নাইলে চীন বা ভারতরে হাইদ্দা ডাইক্কা আইন্না দেশ চালানোর সুযোগ দিতো।”
“এটা আবার কী বলছিস, জনগণ, লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আবার বিসর্জন দিতো!”
“দিবো না মিয়া, গত চুয়ান্ন বছরে আপনেরা হালায় ট্যাকা ট্যাকা কোইরা, সাধারণ পাবলিকের কথা ভুইল্লা, অহন মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা পরাইছেন, বুলডোজার দিয়া ঘরবাড়ি গুড়া গুড়া কোরছেন! এই নাকি আপনের স্বাধীনতা! চিফ ইলেকশান কমিশনারের গালে জুতার বাড়ি মারলেন, জুতার মালা পরাইলেন...আপনেরা কুনোই বাঙালি এর প্রতিবাদ কোরলেন না! অথচ ভারতের মুদির লোকেরা কোইছে, যেই ব্যাডায় মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা পরাইছিলা, হ্যাগো এবার গলায় দড়ি পড়বো। মাইনে হ্যাগোরে ফাঁসিতে লটকাইবো।”
“যাহ তাই হয় নাকি? ভিন দেশ থেকে এসে আমাদের দেশের নাগরিক, আমাদের ভাইব্রাদারদের ফাঁসি দিবে তা হয় নাকি!”
“তা হয় নাকি, না কী হয়, হেই ভবিষ্যৎ তো আমি কয়া পারুম না। তয় দেহেন সামনে কী হয়। তয় বর্তমান বাংলদেশ লয়া আমিভি, একটা ছড়া লিখছি...”
“তুই লিখেছিস ছড়া? ভ্যারেন্ডা আবার বৃক্ষ!”
“খামখা মজা কোইরেন না। হুইন্না দ্যাখেন মজা পাইবেন। ”
“বল শুনি, কুঁজো যখন চিৎ হোয়ে শুতে চায়, তখন আমার কী? বল তোর ছড়া।”
“চারিদিকে হাম হাম / বাচ্চা মরে হাজার / বদ্যির কাছে ছুইট্টা গ্যালো/ বাপে-মায়ে ব্যাজার/ বদ্যি কয়
এ্যতো রোগী / অষুধ কোথা পাই/ হঠাৎ করে পড়ল মনে/ আরে হামের টিকাই কিনি নাই” হি হি হি।
ক্যেমন লাগলো ছড়াটা?”
“তোর ছড়া হাসির নয়রে বোধের...”
[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

আপনার মতামত লিখুন