সংবাদ

২৫ বছর পর আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম

২৫ বছর পর আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে
আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর

প্রখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফার কবর মৃত্যুর প্রায় পঁচিশ বছর পর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনায় এই স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। সে সময় তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সাধারণ অংশে (কবর নম্বর-১০৮০) দাফন করা হয়েছিল।

বুধবার দুপুরে তাকে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের যে অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়, সেখানে স্থানান্তর করা হয়।

চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার কবরটি বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের জন্য পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নুরুল আনোয়ার আবেদন করেন। 

আবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজসেবা-প্রতিটি ক্ষেত্রে লেখক আহমদ ছফার অবদান রয়েছে। কিন্তু আহমদ ছফাকে এ পর্যন্ত সেভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এ সম্মান প্রদর্শনের জন্য তার কবরটি সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন।’

পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির ১৪তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সর্বসম্মতিক্রমে কবর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়।

ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, ‘পুরনো কবর থেকে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে একটু দেরি হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কাজটা শেষ হয়।’

এরপর সংস্থাটির সমাজকল্যাণ বিভাগ কবর স্থানান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


২৫ বছর পর আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফার কবর মৃত্যুর প্রায় পঁচিশ বছর পর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনায় এই স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। সে সময় তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সাধারণ অংশে (কবর নম্বর-১০৮০) দাফন করা হয়েছিল।

বুধবার দুপুরে তাকে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের যে অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়, সেখানে স্থানান্তর করা হয়।

চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার কবরটি বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের জন্য পরিবারের পক্ষে তার ভাইয়ের ছেলে নুরুল আনোয়ার আবেদন করেন। 

আবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজসেবা-প্রতিটি ক্ষেত্রে লেখক আহমদ ছফার অবদান রয়েছে। কিন্তু আহমদ ছফাকে এ পর্যন্ত সেভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এ সম্মান প্রদর্শনের জন্য তার কবরটি সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন।’

পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির ১৪তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সর্বসম্মতিক্রমে কবর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়।

ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, ‘পুরনো কবর থেকে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে একটু দেরি হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কাজটা শেষ হয়।’

এরপর সংস্থাটির সমাজকল্যাণ বিভাগ কবর স্থানান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত