সংবাদ

জেলেদের জন্য নিরাপদ হোক সুন্দরবন


প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

জেলেদের জন্য নিরাপদ হোক সুন্দরবন

টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন জেলে-বাওয়ালি ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। মাছ ও কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করা উপকূলের হাজারো মানুষের জন্য এটি স্বস্তির খবর হওয়ার কথা। তবে সুন্দরবন খোলার পরও জেলেদের বড় একটি অংশ বনে যেতে আগ্রহী নন। জলদস্যুদের চাঁদাবাজির ভয় তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, জলদস্যুদের চাঁদাবাজির আতঙ্ক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। অতীতে ১৫ দিনের জন্য সুন্দরবনে যেতে একটি নৌকার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত আগাম চাঁদা নিয়ে ‘স্লিপ’ দেওয়ার অভিযোগ ছিল। মাছ ধরার জন্য যাদের কয়েক দিন বনের ভেতরে থাকতে হয়, তাদের কাছে এই টাকা কম নয়।

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার সময় ধারদেনা করে সংসার চালিয়ে, নৌকা-জাল মেরামত করে যারা নতুন করে বনে ফিরছেন, তাদের জন্য বাড়তি চাঁদা বড় ধরনের আর্থিক চাপ। মাছ কম পাওয়া গেলে সেই চাপ আরও বাড়ে।

দস্যু দমনে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডের যৌথ টহল চলছে। শুধু টহল দেওয়াই যথেষ্ট নয়। দস্যুদের পাশাপাশি চাঁদাবাজদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বনের বাইরে তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়াও জরুরি। জেলেরা যাতে নির্ভয়ে বনে যেতে পারেন, সে জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত নিরাপত্তা টহলের ব্যবস্থা করতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে হবে। কোনো জেলে বনের ভেতর বিপদে পড়লে দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

পাশাপাশি জেলেদের অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অনুমতিপত্র থাকলেও তারা বনে যেতে আগ্রহী হবেন না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জেলেদের জন্য নিরাপদ হোক সুন্দরবন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবন জেলে-বাওয়ালি ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। মাছ ও কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করা উপকূলের হাজারো মানুষের জন্য এটি স্বস্তির খবর হওয়ার কথা। তবে সুন্দরবন খোলার পরও জেলেদের বড় একটি অংশ বনে যেতে আগ্রহী নন। জলদস্যুদের চাঁদাবাজির ভয় তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, জলদস্যুদের চাঁদাবাজির আতঙ্ক এখনো পুরোপুরি কাটেনি। অতীতে ১৫ দিনের জন্য সুন্দরবনে যেতে একটি নৌকার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত আগাম চাঁদা নিয়ে ‘স্লিপ’ দেওয়ার অভিযোগ ছিল। মাছ ধরার জন্য যাদের কয়েক দিন বনের ভেতরে থাকতে হয়, তাদের কাছে এই টাকা কম নয়।

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার সময় ধারদেনা করে সংসার চালিয়ে, নৌকা-জাল মেরামত করে যারা নতুন করে বনে ফিরছেন, তাদের জন্য বাড়তি চাঁদা বড় ধরনের আর্থিক চাপ। মাছ কম পাওয়া গেলে সেই চাপ আরও বাড়ে।

দস্যু দমনে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ডের যৌথ টহল চলছে। শুধু টহল দেওয়াই যথেষ্ট নয়। দস্যুদের পাশাপাশি চাঁদাবাজদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বনের বাইরে তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়াও জরুরি। জেলেরা যাতে নির্ভয়ে বনে যেতে পারেন, সে জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত নিরাপত্তা টহলের ব্যবস্থা করতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে হবে। কোনো জেলে বনের ভেতর বিপদে পড়লে দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

পাশাপাশি জেলেদের অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে অনুমতিপত্র থাকলেও তারা বনে যেতে আগ্রহী হবেন না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত