সংবাদ

জলবায়ু সংকটে একসঙ্গে বাংলাদেশ ও নেপাল


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১১ পিএম

জলবায়ু সংকটে একসঙ্গে বাংলাদেশ ও নেপাল
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ-নেপাল

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও যৌথ উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, হিমালয় অঞ্চলের বরফ গলা এবং নদী অববাহিকার পরিবর্তন দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ ও মানুষের জীবন-জীবিকায় বড় প্রভাব ফেলছে। এসব সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার বিকল্প নেই।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে দুই দেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পরিবেশমন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ নেপালের পাশে রয়েছে। যেকোনো ধরনের মানবিক প্রয়োজনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও জলবায়ুগত দিক থেকে দেশ দুটির পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে নদী অববাহিকার ভারসাম্য রক্ষা এবং বন্যা ও অতিবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুই দেশের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অত্যন্ত জরুরি।

নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি বাংলাদেশের এই সহমর্মিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, বিপদের সময় বাংলাদেশের এই সংহতি দুই দেশের গভীর বন্ধুত্ব ও আস্থারই প্রতিফলন। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে নেপাল শিখতে চায় জানিয়ে তিনি দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

পরিবেশ ও জলবায়ু ছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, আঞ্চলিক যোগাযোগ (কানেক্টিভিটি), পর্যটন, শিক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন যে, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জ্বালানি খাতে দুই দেশের অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জলবায়ু সংকটে একসঙ্গে বাংলাদেশ ও নেপাল

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও যৌথ উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, হিমালয় অঞ্চলের বরফ গলা এবং নদী অববাহিকার পরিবর্তন দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ ও মানুষের জীবন-জীবিকায় বড় প্রভাব ফেলছে। এসব সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার বিকল্প নেই।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে দুই দেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পরিবেশমন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ নেপালের পাশে রয়েছে। যেকোনো ধরনের মানবিক প্রয়োজনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও জলবায়ুগত দিক থেকে দেশ দুটির পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে নদী অববাহিকার ভারসাম্য রক্ষা এবং বন্যা ও অতিবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দুই দেশের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অত্যন্ত জরুরি।

নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি বাংলাদেশের এই সহমর্মিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, বিপদের সময় বাংলাদেশের এই সংহতি দুই দেশের গভীর বন্ধুত্ব ও আস্থারই প্রতিফলন। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে নেপাল শিখতে চায় জানিয়ে তিনি দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

পরিবেশ ও জলবায়ু ছাড়াও বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, আঞ্চলিক যোগাযোগ (কানেক্টিভিটি), পর্যটন, শিক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন যে, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জ্বালানি খাতে দুই দেশের অংশীদারত্ব দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন। 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত