ময়মনসিংহের ত্রিশালে কৃষিজমিতে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সীসা উৎপাদনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হরিরামপুর ও বৈলর ইউনিয়নে গড়ে ওঠা দুটি কারখানার কোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই বলে নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন ও ট্রেড লাইসেন্সও নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দিনে ব্যাটারি ও ধাতব অংশ আলাদা করে রাতে সেগুলো পোড়ানো হয়। যথাযথ প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া পুরোনো ব্যাটারি থেকে সীসা পুনরুদ্ধারের কাজ করা হলে তা মারাত্মক দূষণের কারণ হতে পারে। ব্যাটারি ভাঙা, অ্যাসিডযুক্ত উপাদান আলাদা করা এবং সীসাযুক্ত অংশ পোড়ানোর সময় ক্ষতিকর ধোঁয়া ও বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। মানুষের স্বাস্থ্য এবং কৃষিজমির জন্যও এগুলো দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ত্রিশালের কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের সুরক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কৃষিজমিতে কারখানার কার্যক্রম চালানো হলে মাটি, পানি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, সীসা, অ্যাসিড ও ব্যাটারির বর্জ্য পোড়ানো বা ফেলার কারণে মাটির উর্বরতা নষ্ট হতে পারে। দূষণের প্রভাব অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না। ভারী ধাতু ও অন্যান্য দূষক মাটি ও পানিতে জমে গেলে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব আরও গুরুতর হতে পারে।
কৃষিজমিতে অবৈধভাবে কারখানা চালানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। উল্লিখিত স্থানে কারখানা কত দিন ধরে চলছে, কোথা থেকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করা হচ্ছে, কোথায় বর্জ্য ফেলা হচ্ছে সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। অবৈধ কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে, যাতে একই ধরনের অপরাধ পুনরায় না ঘটে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে কৃষিজমিতে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সীসা উৎপাদনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হরিরামপুর ও বৈলর ইউনিয়নে গড়ে ওঠা দুটি কারখানার কোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই বলে নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন ও ট্রেড লাইসেন্সও নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দিনে ব্যাটারি ও ধাতব অংশ আলাদা করে রাতে সেগুলো পোড়ানো হয়। যথাযথ প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া পুরোনো ব্যাটারি থেকে সীসা পুনরুদ্ধারের কাজ করা হলে তা মারাত্মক দূষণের কারণ হতে পারে। ব্যাটারি ভাঙা, অ্যাসিডযুক্ত উপাদান আলাদা করা এবং সীসাযুক্ত অংশ পোড়ানোর সময় ক্ষতিকর ধোঁয়া ও বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। মানুষের স্বাস্থ্য এবং কৃষিজমির জন্যও এগুলো দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ত্রিশালের কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের সুরক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কৃষিজমিতে কারখানার কার্যক্রম চালানো হলে মাটি, পানি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, সীসা, অ্যাসিড ও ব্যাটারির বর্জ্য পোড়ানো বা ফেলার কারণে মাটির উর্বরতা নষ্ট হতে পারে। দূষণের প্রভাব অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না। ভারী ধাতু ও অন্যান্য দূষক মাটি ও পানিতে জমে গেলে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব আরও গুরুতর হতে পারে।
কৃষিজমিতে অবৈধভাবে কারখানা চালানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। উল্লিখিত স্থানে কারখানা কত দিন ধরে চলছে, কোথা থেকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করা হচ্ছে, কোথায় বর্জ্য ফেলা হচ্ছে সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। অবৈধ কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে, যাতে একই ধরনের অপরাধ পুনরায় না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন