যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের শার্শায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জায়গা থেকে ৫টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে কাজ বন্ধ হলেও এর মধ্যেই আনুমানিক ৫ লাখ টাকা মূল্যের গাছগুলো সাবাড় করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ও বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলার বাগআঁচড়া পাঁচপুকুর এলাকায় গাছ কাটার এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ‘মেহরাব ট্রেডার্স’ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মঙ্গলবার দুপুর থেকে আকস্মিকভাবে ৪০-৪৫ বছরের পুরোনো রেইনট্রি মেহগনি গাছগুলো কাটতে শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দিলে ঠিকাদারের প্রতিনিধিরা ৪২টি গাছ কাটার সরকারি অনুমোদন আছে বলে দাবি করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই স্থানে এত গাছের কোনো অস্তিত্বই নেই। ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে সওজের মূল্যবান সম্পদ সাবাড় করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি। শার্শা উপজেলা সামাজিক বনায়ন কেন্দ্রের ইনচার্জ ইউনুচ আলী গাছ কাটার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমরা গাছ কর্তন করিনি। আপনাদের তথ্য সঠিক নয়।’
তবে যশোর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আশরাফুজ্জামান মঞ্জু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘নতুন করে গাছ কেটে নেওয়ার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে সত্যতা পেয়েছি। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তবে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করায় আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি বাদ দিতে বলেছেন।’
অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেহরাব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের টেন্ডার অনুযায়ীই গাছ কাটা হচ্ছে। তালিকার বাইরে কোনো গাছ কাটা হচ্ছে না।
সরকারি সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধভাবে গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
/

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের শার্শায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জায়গা থেকে ৫টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে কাজ বন্ধ হলেও এর মধ্যেই আনুমানিক ৫ লাখ টাকা মূল্যের গাছগুলো সাবাড় করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ও বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলার বাগআঁচড়া পাঁচপুকুর এলাকায় গাছ কাটার এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ‘মেহরাব ট্রেডার্স’ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মঙ্গলবার দুপুর থেকে আকস্মিকভাবে ৪০-৪৫ বছরের পুরোনো রেইনট্রি মেহগনি গাছগুলো কাটতে শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দিলে ঠিকাদারের প্রতিনিধিরা ৪২টি গাছ কাটার সরকারি অনুমোদন আছে বলে দাবি করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই স্থানে এত গাছের কোনো অস্তিত্বই নেই। ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে সওজের মূল্যবান সম্পদ সাবাড় করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেও দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি। শার্শা উপজেলা সামাজিক বনায়ন কেন্দ্রের ইনচার্জ ইউনুচ আলী গাছ কাটার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমরা গাছ কর্তন করিনি। আপনাদের তথ্য সঠিক নয়।’
তবে যশোর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আশরাফুজ্জামান মঞ্জু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘নতুন করে গাছ কেটে নেওয়ার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে সত্যতা পেয়েছি। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। তবে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করায় আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি বাদ দিতে বলেছেন।’
অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেহরাব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের টেন্ডার অনুযায়ীই গাছ কাটা হচ্ছে। তালিকার বাইরে কোনো গাছ কাটা হচ্ছে না।
সরকারি সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধভাবে গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
/

আপনার মতামত লিখুন