ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের আলোচনার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরত সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তারা আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।
সিজেপি বলছে, আলোচনা করতে হলে যন্তর-মন্তর অথবা উভয় পক্ষের সম্মত কোনো নিরপেক্ষ স্থানে হতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, তিনি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা যেকোনো সময় নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। কিন্তু সিজেপি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের জন্য বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে। তিনি বলেন, ‘যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তবে সিজেপি এই ঘোষণাকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছে। সংগঠনটির দাবি, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত প্রশ্নফাঁসের পর অপরাধীদের বিচার করতে পারে, কিন্তু কেন বারবার প্রশ্নফাঁস হচ্ছে, সেই মূল সমস্যার সমাধান সরকারকেই করতে হবে।
সিজেপি আগামীকাল শুক্রবার সারা দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অযৌক্তিক বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা।
এ ছাড়া শুক্রবার কলকাতায় মিছিল করার অনুমতি চেয়ে পুলিশের কাছে দুটি ইমেইলও পাঠিয়েছে সিজেপি। পুলিশ জানিয়েছে, আবেদনগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে যন্তর-মন্তর ও সংসদ মার্গসহ মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরও স্বল্প সময়ের জন্য ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল।
এদিকে বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর-মন্তরে চলমান বিক্ষোভস্থলে জড়ো হয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের আলোচনার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরত সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তারা আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।
সিজেপি বলছে, আলোচনা করতে হলে যন্তর-মন্তর অথবা উভয় পক্ষের সম্মত কোনো নিরপেক্ষ স্থানে হতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, তিনি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা যেকোনো সময় নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। কিন্তু সিজেপি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের জন্য বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে। তিনি বলেন, ‘যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তবে সিজেপি এই ঘোষণাকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছে। সংগঠনটির দাবি, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত প্রশ্নফাঁসের পর অপরাধীদের বিচার করতে পারে, কিন্তু কেন বারবার প্রশ্নফাঁস হচ্ছে, সেই মূল সমস্যার সমাধান সরকারকেই করতে হবে।
সিজেপি আগামীকাল শুক্রবার সারা দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অযৌক্তিক বলপ্রয়োগের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা।
এ ছাড়া শুক্রবার কলকাতায় মিছিল করার অনুমতি চেয়ে পুলিশের কাছে দুটি ইমেইলও পাঠিয়েছে সিজেপি। পুলিশ জানিয়েছে, আবেদনগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে যন্তর-মন্তর ও সংসদ মার্গসহ মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে বুধবার রাতে সংসদ মার্গে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরও স্বল্প সময়ের জন্য ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল।
এদিকে বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর-মন্তরে চলমান বিক্ষোভস্থলে জড়ো হয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন