সংবাদ

বিভাগীয় পরিচালকের পর এবার বরিশালের সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা


প্রতিনিধি, বরিশাল
প্রতিনিধি, বরিশাল
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

বিভাগীয় পরিচালকের পর এবার বরিশালের সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের পর এবার জেলা সিভিল সার্জনের কক্ষেও তালা ঝুলিয়ে দিলেন আন্দোলনকারীরা। ছবি : সংবাদ

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা দেওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার জেলা সিভিল সার্জনের কক্ষেও তালা ঝোলানো হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ‘সচেতন নাগরিক কমিটি’র ব্যানারে একদল আন্দোলনকারী সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন। পরে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনের সময় বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামান আহতদের কোনো ধরনের সহযোগিতা করেননি। ওই সময় তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে ছিলেন। এমনকি ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আহত ও নিহতদের তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা পালন করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা আরও দাবি করেন, ডা. মনিরুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নিকটাত্মীয় এবং তার ‘দোসর’ হিসেবে কাজ করেছেন। এ কারণে তাকে কোনোভাবেই বরিশালের সিভিল সার্জন পদে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হবে না। পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

কর্মসূচি চলাকালে আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘এখানে এমন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হোক, যাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই এবং যার মাধ্যমে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান রক্ষা পাবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করায় বারবার এ ধরনের আন্দোলনের সৃষ্টি হচ্ছে।’ তারা গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ডা. মনিরুজ্জামানকে গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে গত ২১ জুলাই তাকে পুনরায় বরিশালের সিভিল সার্জন পদে পদায়ন করা হয়।

এর আগে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকেও ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার কক্ষে তালা লাগিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে তার পদায়ন বাতিল করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


বিভাগীয় পরিচালকের পর এবার বরিশালের সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা দেওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার জেলা সিভিল সার্জনের কক্ষেও তালা ঝোলানো হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ‘সচেতন নাগরিক কমিটি’র ব্যানারে একদল আন্দোলনকারী সিভিল সার্জনের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন। পরে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনের সময় বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামান আহতদের কোনো ধরনের সহযোগিতা করেননি। ওই সময় তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে ছিলেন। এমনকি ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আহত ও নিহতদের তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা পালন করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা আরও দাবি করেন, ডা. মনিরুজ্জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নিকটাত্মীয় এবং তার ‘দোসর’ হিসেবে কাজ করেছেন। এ কারণে তাকে কোনোভাবেই বরিশালের সিভিল সার্জন পদে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হবে না। পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

কর্মসূচি চলাকালে আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘এখানে এমন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হোক, যাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই এবং যার মাধ্যমে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান রক্ষা পাবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করায় বারবার এ ধরনের আন্দোলনের সৃষ্টি হচ্ছে।’ তারা গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ডা. মনিরুজ্জামানকে গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে গত ২১ জুলাই তাকে পুনরায় বরিশালের সিভিল সার্জন পদে পদায়ন করা হয়।

এর আগে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকেও ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার কক্ষে তালা লাগিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে তার পদায়ন বাতিল করা হয়েছিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত