জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক আশরাফ কায়সার।
রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
প্রায় ৩৫ বছরের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আশরাফ কায়সার বর্তমানে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নেন। মামলার ২৭তম সাক্ষী হিসেবে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলের বিভিন্ন বিষয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরছেন।
মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আসামির তালিকায় রয়েছেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে মামলাটি পরিচালনা করছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তার সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।
এর আগে গত ৩০ জুন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন নির্ধারিত থাকলেও নতুন সাক্ষী গ্রহণের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল আশরাফ কায়সারের সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছিল। সেদিন ২৬তম সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা জেরা করেন। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক আশরাফ কায়সার।
রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
প্রায় ৩৫ বছরের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আশরাফ কায়সার বর্তমানে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নেন। মামলার ২৭তম সাক্ষী হিসেবে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলের বিভিন্ন বিষয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরছেন।
মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আসামির তালিকায় রয়েছেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে মামলাটি পরিচালনা করছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তার সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিমসহ অন্যরা।
এর আগে গত ৩০ জুন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন নির্ধারিত থাকলেও নতুন সাক্ষী গ্রহণের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল আশরাফ কায়সারের সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছিল। সেদিন ২৬তম সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা জেরা করেন। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়।

আপনার মতামত লিখুন