সংবাদ

দুমকিতে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটক


প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

দুমকিতে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটক
অভিযুক্ত খলিলুর রহমান। ছবি : সংবাদ

পটুয়াখালীর দুমকিতে এক শিশুকে (৯) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. খলিলুর রহমান নামের এক মক্তব শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি মক্তবে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত খলিলুর রহমান ওই মক্তবে শিক্ষকতা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকাল ৬ টার দিকে মক্তবে পড়তে গেলে শিশুটিকে একা পেয়ে একটি কক্ষে ডেকে নেন শিক্ষক খলিলুর রহমান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি কাউকে না বলতে ভয় দেখিয়ে শিশুটির হাতে ৫ টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বাড়ি ফিরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ওই শিক্ষককে আটক করেন এবং দুমকি থানা-পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত শিক্ষক খলিলুর রহমান অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ষড়যন্ত্র করে তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো হচ্ছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছি। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


দুমকিতে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক আটক

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকিতে এক শিশুকে (৯) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মো. খলিলুর রহমান নামের এক মক্তব শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি মক্তবে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত খলিলুর রহমান ওই মক্তবে শিক্ষকতা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকাল ৬ টার দিকে মক্তবে পড়তে গেলে শিশুটিকে একা পেয়ে একটি কক্ষে ডেকে নেন শিক্ষক খলিলুর রহমান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি কাউকে না বলতে ভয় দেখিয়ে শিশুটির হাতে ৫ টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বাড়ি ফিরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে। জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ওই শিক্ষককে আটক করেন এবং দুমকি থানা-পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত শিক্ষক খলিলুর রহমান অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ষড়যন্ত্র করে তাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো হচ্ছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছি। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত