খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়েছে সরকার।
নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবধারীদের মাসিক সম্মানী ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্ধিত এই সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবধারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা এখন থেকে প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা পাবেন। এর পাশাপাশি তারা উৎসব ভাতা ১০ হাজার টাকা, বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা পাবেন।
অন্যদিকে, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। তারাও উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, বিজয় দিবস ভাতা ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা ২ হাজার টাকা করে পাবেন।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের মাসিক মূল সম্মানী ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। নতুন হার অনুযায়ী, শহীদ পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২৩ হাজার টাকা মূল সম্মানী পাবে। এর পাশাপাশি তারা ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা, ২৩ হাজার টাকা উৎসব ভাতা এবং ২ হাজার টাকা নববর্ষ ভাতা পাবে।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শারীরিক অক্ষমতার মাত্রা অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে (ক, খ, গ ও ঘ) বিভক্ত করে ভাতার হার পুনর্নিধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ‘ক’ শ্রেণি (৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া এই শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা জীবদ্দশায় মাসে আরও ৮ হাজার টাকা বিশেষ সম্মানী পাবেন (যা মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা পাবেন না)।
‘খ’ শ্রেণি (৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ২৮ হাজার টাকা। ‘গ’ শ্রেণি (২০ থেকে ৬০ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ২৩ হাজার টাকা। ‘ঘ’ শ্রেণি (১ থেকে ১৯ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ২০ হাজার টাকা।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এই ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়েছে সরকার।
নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবধারীদের মাসিক সম্মানী ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্ধিত এই সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবধারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা এখন থেকে প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা পাবেন। এর পাশাপাশি তারা উৎসব ভাতা ১০ হাজার টাকা, বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে ২ হাজার টাকা পাবেন।
অন্যদিকে, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। তারাও উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, বিজয় দিবস ভাতা ৫ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা ২ হাজার টাকা করে পাবেন।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের মাসিক মূল সম্মানী ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। নতুন হার অনুযায়ী, শহীদ পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২৩ হাজার টাকা মূল সম্মানী পাবে। এর পাশাপাশি তারা ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা, ২৩ হাজার টাকা উৎসব ভাতা এবং ২ হাজার টাকা নববর্ষ ভাতা পাবে।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শারীরিক অক্ষমতার মাত্রা অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে (ক, খ, গ ও ঘ) বিভক্ত করে ভাতার হার পুনর্নিধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ‘ক’ শ্রেণি (৯৬ থেকে ১০০ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া এই শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা জীবদ্দশায় মাসে আরও ৮ হাজার টাকা বিশেষ সম্মানী পাবেন (যা মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা পাবেন না)।
‘খ’ শ্রেণি (৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ২৮ হাজার টাকা। ‘গ’ শ্রেণি (২০ থেকে ৬০ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ২৩ হাজার টাকা। ‘ঘ’ শ্রেণি (১ থেকে ১৯ শতাংশ অক্ষম): মাসিক সম্মানী ২০ হাজার টাকা।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এই ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন