ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কথিত পরকীয়ার জেরে মহিদুজ্জামান ওরফে মোফাচ্ছেল (৪০) নামে এক মৎস্য খামারিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার বারবারিয়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামে হামলার এই ঘটনা ঘটে। নিহত মহিদুজ্জামান ওই গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে প্রতিবেশী ত্রিশাল উপজেলার সোমপাড়া মড়লবাড়ি এলাকার তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তপন মুঠোফোনে মহিদুজ্জামানকে মাছের খামারের পাশে আসতে বলেন। মহিদুজ্জামান সেখানে গেলে তোফাজ্জল তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে মহিদুজ্জামানের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ জনতা তোফাজ্জলের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে গফরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। গফরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গফরগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মশিউর রহমান জানান, অভিযুক্ত তোফাজ্জলের স্ত্রীর সঙ্গে তার ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আলীর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করতেন তোফাজ্জল। নিহত মহিদুজ্জামানের সঙ্গে ওই ভগ্নিপতির ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকায় তিনি মাঝেমধ্যে তোফাজ্জলের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তোফাজ্জল এই হামলা চালিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানায়, অভিযুক্ত তোফাজ্জলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
\

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কথিত পরকীয়ার জেরে মহিদুজ্জামান ওরফে মোফাচ্ছেল (৪০) নামে এক মৎস্য খামারিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার বারবারিয়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামে হামলার এই ঘটনা ঘটে। নিহত মহিদুজ্জামান ওই গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে প্রতিবেশী ত্রিশাল উপজেলার সোমপাড়া মড়লবাড়ি এলাকার তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তপন মুঠোফোনে মহিদুজ্জামানকে মাছের খামারের পাশে আসতে বলেন। মহিদুজ্জামান সেখানে গেলে তোফাজ্জল তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে মহিদুজ্জামানের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ জনতা তোফাজ্জলের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে গফরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। গফরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গফরগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মশিউর রহমান জানান, অভিযুক্ত তোফাজ্জলের স্ত্রীর সঙ্গে তার ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আলীর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করতেন তোফাজ্জল। নিহত মহিদুজ্জামানের সঙ্গে ওই ভগ্নিপতির ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকায় তিনি মাঝেমধ্যে তোফাজ্জলের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তোফাজ্জল এই হামলা চালিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ আরও জানায়, অভিযুক্ত তোফাজ্জলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
\

আপনার মতামত লিখুন