বরগুনার পাথরঘাটায় ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের রাজা ইলিশ ১৫ হাজার ৯৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে নিলামের মাধ্যমে মাছটি কিনে নেয় মেসার্স নিউ আল আমিন ফিস।
বুধবার দিবাগত রাতে পাথরঘাটা উপজেলাসংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে আলতাফ হোসেন মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের টেংরা এলাকার বাসিন্দা।
বিএফডিসি মৎস্য ঘাটের পাইকার ইমরান হোসেন রিফাত জানান, সকালে আলতাফ হোসেন মাঝি ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের রাজা ইলিশটি বিক্রির জন্য ঘাটে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে নিউ আল আমিন ফিসের পলাশ নামের এক পাইকার মাছটি মণপ্রতি ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা দরে কিনে নেন। এতে মাছটির মোট দাম দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৯৩০ টাকা।
তিনি আরও জানান, অধিক লাভের আশায় মাছটি খুলনার বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। বিএফডিসি পাইকারি বাজারে বড় ইলিশটির চাহিদাও ছিল বেশ ভালো।
ইমরান হোসেন রিফাত বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বড় আকারের ইলিশের সংখ্যা কম। তারপরও জেলের জালে এমন একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় তারা খুশি।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘এত বড় ইলিশ আমরা কমই দেখতে পাই। বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া জেলেদের জন্য অবশ্যই সুখবর। গভীর সমুদ্রের পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকাতেও এখন বড় ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন না। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়বে।’

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরগুনার পাথরঘাটায় ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের রাজা ইলিশ ১৫ হাজার ৯৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে নিলামের মাধ্যমে মাছটি কিনে নেয় মেসার্স নিউ আল আমিন ফিস।
বুধবার দিবাগত রাতে পাথরঘাটা উপজেলাসংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে আলতাফ হোসেন মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের টেংরা এলাকার বাসিন্দা।
বিএফডিসি মৎস্য ঘাটের পাইকার ইমরান হোসেন রিফাত জানান, সকালে আলতাফ হোসেন মাঝি ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের রাজা ইলিশটি বিক্রির জন্য ঘাটে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে নিউ আল আমিন ফিসের পলাশ নামের এক পাইকার মাছটি মণপ্রতি ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা দরে কিনে নেন। এতে মাছটির মোট দাম দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৯৩০ টাকা।
তিনি আরও জানান, অধিক লাভের আশায় মাছটি খুলনার বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। বিএফডিসি পাইকারি বাজারে বড় ইলিশটির চাহিদাও ছিল বেশ ভালো।
ইমরান হোসেন রিফাত বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বড় আকারের ইলিশের সংখ্যা কম। তারপরও জেলের জালে এমন একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় তারা খুশি।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘এত বড় ইলিশ আমরা কমই দেখতে পাই। বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া জেলেদের জন্য অবশ্যই সুখবর। গভীর সমুদ্রের পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকাতেও এখন বড় ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন না। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়বে।’

আপনার মতামত লিখুন