চলতি বছরের মধ্যেই দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে নির্বাচন শুরু হওয়ার পর তৃণমূলের ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সব ধাপের ভোট শেষ করতে প্রায় এক বছর সময় লেগে যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার
সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরতে আয়োজিত
এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা জানান।
সংবাদ
সম্মেলনে নির্বাচন শুরুর সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরে ডা.
জাহেদ উর রহমান বলেন,
"স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এরই মধ্যে জানিয়েছেন, এ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। নির্বাচন
কমিশন অক্টোবরের কথা বললেও সরকার
চলতি বছরের মধ্যেই ভোট শুরুর বিষয়ে
অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আরও
এক থেকে দুই মাস
সময় লাগতে পারে, তবে নির্বাচন চলতি
বছরই শুরু হবে।"
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ও সম্ভাব্য অনিয়ম প্রসঙ্গে উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন যে, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রযুক্তিগতভাবে দলীয় নয়, এখানে ব্যক্তি প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করা হয়। ফলে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা সহজেই যাচাই করা সম্ভব হবে।"
একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সচিবের বদলি প্রসঙ্গে তিনি
বলেন, "কমিশনাররাই সাংবিধানিক পদধারী। তবে সচিবসহ অনেক
কর্মকর্তা প্রেষণে আসেন, তাই তাদের রদবদল
স্রেফ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ারই অংশ।"
সরকারের
বিচারে আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করতে
গিয়ে বহুল আলোচিত তনু
হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন,
"দীর্ঘদিন অগ্রগতি না থাকলেও মামলাটির
তদন্ত নতুন করে শুরু
হয়েছে। এতে বোঝা যায়,
অতীতের হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত
আন্তরিক।"
অন্যদিকে,
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা
মামলার বিচারে কালক্ষেপণ বন্ধের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন,
"কোনো সাংবাদিক যদি তার পেশাগত
দায়িত্ব পালনের কারণে হত্যার শিকার হন, তাহলে তা
অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং রাষ্ট্রের জন্যও
অশনিসংকেত। এ ধরনের ঘটনার
সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অতীতে তদন্তে বারবার সময় নেওয়ার যে
প্রবণতা ছিল, বর্তমান সরকার
সেটি থেকে সরে আসতে
চায়।"
এছাড়া
জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত
সাংবাদিকদের সরকারি সুবিধার আওতায় আনা এবং তাদের
বীরত্বগাথা নথিবদ্ধ করতে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র
নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তথ্য
উপদেষ্টা।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
চলতি বছরের মধ্যেই দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে নির্বাচন শুরু হওয়ার পর তৃণমূলের ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সব ধাপের ভোট শেষ করতে প্রায় এক বছর সময় লেগে যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার
সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরতে আয়োজিত
এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা জানান।
সংবাদ
সম্মেলনে নির্বাচন শুরুর সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরে ডা.
জাহেদ উর রহমান বলেন,
"স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এরই মধ্যে জানিয়েছেন, এ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। নির্বাচন
কমিশন অক্টোবরের কথা বললেও সরকার
চলতি বছরের মধ্যেই ভোট শুরুর বিষয়ে
অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আরও
এক থেকে দুই মাস
সময় লাগতে পারে, তবে নির্বাচন চলতি
বছরই শুরু হবে।"
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ও সম্ভাব্য অনিয়ম প্রসঙ্গে উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন যে, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রযুক্তিগতভাবে দলীয় নয়, এখানে ব্যক্তি প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করা হয়। ফলে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা সহজেই যাচাই করা সম্ভব হবে।"
একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সচিবের বদলি প্রসঙ্গে তিনি
বলেন, "কমিশনাররাই সাংবিধানিক পদধারী। তবে সচিবসহ অনেক
কর্মকর্তা প্রেষণে আসেন, তাই তাদের রদবদল
স্রেফ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ারই অংশ।"
সরকারের
বিচারে আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করতে
গিয়ে বহুল আলোচিত তনু
হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন,
"দীর্ঘদিন অগ্রগতি না থাকলেও মামলাটির
তদন্ত নতুন করে শুরু
হয়েছে। এতে বোঝা যায়,
অতীতের হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত
আন্তরিক।"
অন্যদিকে,
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা
মামলার বিচারে কালক্ষেপণ বন্ধের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন,
"কোনো সাংবাদিক যদি তার পেশাগত
দায়িত্ব পালনের কারণে হত্যার শিকার হন, তাহলে তা
অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং রাষ্ট্রের জন্যও
অশনিসংকেত। এ ধরনের ঘটনার
সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অতীতে তদন্তে বারবার সময় নেওয়ার যে
প্রবণতা ছিল, বর্তমান সরকার
সেটি থেকে সরে আসতে
চায়।"
এছাড়া
জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত
সাংবাদিকদের সরকারি সুবিধার আওতায় আনা এবং তাদের
বীরত্বগাথা নথিবদ্ধ করতে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র
নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তথ্য
উপদেষ্টা।

আপনার মতামত লিখুন