ছাত্রজনতার গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এক ‘নজিরবিহীন ঝড়ের’ কবলে পড়েছে পুরো পুলিশ বাহিনী। বিগত সরকারের সময়ে বেনজীর আহমেদ ও ডিবি হারুনের মতো একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী দলবাজ কর্মকর্তাদের অপকর্মের খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো বিভাগকে।
একের
পর এক বাধ্যতামূলক অবসর,
গ্রেফতার আর পলাতক কর্মকর্তাদের
তালিকার কারণে মাঠ প্রশাসনে তৈরি
হয়েছে গভীর শূন্যতা। ফলে
রাজধানী থেকে শুরু করে
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ‘কাঙ্ক্ষিত পুলিশি সেবা’ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
অবরুদ্ধ
মাঠ প্রশাসন ও আক্রান্ত সদস্য
সরকার
পরিবর্তনের পর শত চেষ্টা
সত্ত্বেও পুলিশে পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে
রাজধানী থেকে শুরু করে
গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত প্রতিনিয়ত বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ সদস্যরা।
পুলিশ
সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কেবল
গেল জুন মাসেই ঢাকায়
৬ জনসহ সারাদেশে ৫১
জন পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হয়েছেন। মে মাসে ৫৫
জন, এপ্রিলে ৬৬ জন, মার্চে
৬৩ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪২
জন এবং জানুয়ারিতে ৪২
জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য নির্যাতনের
শিকার হয়েছেন।
ক্ষুদ্র
ও আঞ্চলিক পর্যায়ের অনেক আক্রমণের ঘটনা
পুলিশ সদর দপ্তর পর্যন্ত
পৌঁছায়ও না। একদিকে জনতার
ক্ষোভ, অন্যদিকে রাজনৈতিক তকমা; সব মিলিয়ে মাঠপর্যায়ে
চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ‘বাহিনীর নিচুতলার’ সদস্যরা।
বাধ্যতামূলক
অবসরের হিড়িক ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাজা
অনিয়ম
ও বেপরোয়া রাজনৈতিক আনুগত্যের কারণে পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দফায়
দফায় ছাঁটাই করা হচ্ছে বিতর্কিত
কর্মকর্তাদের। ২০২৪ সালের ৫
আগস্টের পর থেকে এ
পর্যন্ত অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপিসহ বিভিন্ন
পদমর্যাদার ১৪১ জন কর্মকর্তাকে
সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী অবসরে
পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ
গত ২৩ জুলাই বিসিএস
পুলিশ ক্যাডারের ১৭ জন কর্মকর্তাকে
সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ অনুযায়ী
জনস্বার্থে অবসরে পাঠানো হয়। এদের অনেকের
বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের
আমলে ‘নৈশভোটের কারিগর’ হিসেবে কাজ করার গুরুতর
অভিযোগ রয়েছে।
অসন্তুষ্টি
ও ছাঁটাই প্রক্রিয়া নিয়ে নাম প্রকাশে
অনিচ্ছুক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
বলেন, "ঝড়ে আসলে কোনটা
পীরের বাড়ি, কোনটা ভাল মানুষের বাড়ি,
তা বিচার করার সুযোগ নেই।
ঝড়ের তাণ্ডবে ভাল-মন্দের হিসাব
করার সুযোগ নেই। তখন অনেকেই
ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তদ্রূপ ২০২৪
সালের ৫ আগস্টের পর
পুলিশ বাহিনীতে ঝড় এসেছে। এতে
ভাল-মন্দের হিসাব করার সুযোগ কম।
দলবাজ থেকে শুরু করে
রাতের ভোটের কারিগর সবাইকে একে একে অবসরে
যেতে হচ্ছে। এতে এক-দুইজন
হয়তো ভাল থাকতেও পারেন,
কিছু করার নেই। তারাও
রাতের ভোটে অংশ নিয়েছে।"
বেনজীর-হারুনদের অপকর্মের দায় পুরো বাহিনীর কাঁধে
বিদেশে
গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দলবাজি ও নির্বাচনে কারচুপির
অভিযোগে কমপক্ষে ১৬টি মামলা রয়েছে।
তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার
উদ্যোগ নিলেও তার রক্ষায় নেপথ্যে
নানা তৎপরতার অভিযোগ উঠছে।
অন্যদিকে
সাবেক ডিবি প্রধান ডিআইজি
হারুন ও ডিসি বিপ্লব কুমার সরকারের মতো প্রতাপশালী কর্মকর্তাদের
বেপরোয়া আচরণ পুরো বাহিনীকে
চরম প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সরকারের পতনের পর পরই এসব
কর্মকর্তার অনেকে বিদেশে পালিয়ে গেছেন বা আত্মগোপনে রয়েছেন।
সাবেক
এক ডিআইজি বলেন, "পুলিশ বাহিনী যে ঝড়ের কবলে
পড়েছে, তা এখন দূরারোগ্য
হয়ে উঠেছে। একের পর এক
সিনিয়রদের অবসরে পাঠানোসহ নানা কারণে মাঠ
প্রশাসনের কার্যক্রমে এখনো অস্থিরতা বিরাজ
করছে, যার জন্য জনভোগান্তি
কমছে না।"
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি ও জনগণের চরম দুর্ভোগ
থানা
পর্যায়ে সেবা নিতে গিয়ে
প্রতিনিয়ত ফিরে আসতে হচ্ছে
সাধারণ মানুষকে। অপরাধ দমনে স্থানীয়রা খবর
দিলেও অনেক এলাকায় সময়মতো
টহল দল যাচ্ছে না।
রাতে যে পুলিশি টহল
ছিল, তাও অনেক এলাকায়
বন্ধ। থানার ওসিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের
সঠিক তথ্য না দিয়ে
আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
থানা
পর্যায়ের একাধিক ওসির সাথে কথা
বলে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে
এখনো পুলিশকে জনগণের গালমন্দ শুনতে হচ্ছে। আগে মানুষ পুলিশকে
যে সম্মান দিত, তা অনেকটাই
ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবুও নিজেদের সীমাবদ্ধতা
আর চরম মানসিক চাপের
মধ্য থেকেই স্থানীয় লোকজনের সাথে মিলেমিশে নিরাপত্তার
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অনেক কর্মকর্তা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
হুশিয়ারি: 'পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি চালু থাকবে'
গত ২৬ জুলাই স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বর্তমান
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জনপ্রত্যাশা ও জনআকাঙ্খা অনুযায়ী
একটি জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী
হিসেবে গড়ে তুলতে পুরস্কার
ও তিরস্কারের নীতি অব্যাহত রাখার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
মন্ত্রী
স্পষ্ট বার্তা দিয়ে আরও বলেন,
"যারা সততা, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে
দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের
কর্মের যথাযথ স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। আর
যারা আইন-বিধি লঙ্ঘন
করে জনসেবায় ব্যাঘাত ঘটাবেন বা অপকর্মে লিপ্ত
হবেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ও
আইনি তিরস্কারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
ছাত্রজনতার গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এক ‘নজিরবিহীন ঝড়ের’ কবলে পড়েছে পুরো পুলিশ বাহিনী। বিগত সরকারের সময়ে বেনজীর আহমেদ ও ডিবি হারুনের মতো একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী দলবাজ কর্মকর্তাদের অপকর্মের খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো বিভাগকে।
একের
পর এক বাধ্যতামূলক অবসর,
গ্রেফতার আর পলাতক কর্মকর্তাদের
তালিকার কারণে মাঠ প্রশাসনে তৈরি
হয়েছে গভীর শূন্যতা। ফলে
রাজধানী থেকে শুরু করে
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ‘কাঙ্ক্ষিত পুলিশি সেবা’ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
অবরুদ্ধ
মাঠ প্রশাসন ও আক্রান্ত সদস্য
সরকার
পরিবর্তনের পর শত চেষ্টা
সত্ত্বেও পুলিশে পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে
রাজধানী থেকে শুরু করে
গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত প্রতিনিয়ত বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ সদস্যরা।
পুলিশ
সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কেবল
গেল জুন মাসেই ঢাকায়
৬ জনসহ সারাদেশে ৫১
জন পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হয়েছেন। মে মাসে ৫৫
জন, এপ্রিলে ৬৬ জন, মার্চে
৬৩ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪২
জন এবং জানুয়ারিতে ৪২
জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য নির্যাতনের
শিকার হয়েছেন।
ক্ষুদ্র
ও আঞ্চলিক পর্যায়ের অনেক আক্রমণের ঘটনা
পুলিশ সদর দপ্তর পর্যন্ত
পৌঁছায়ও না। একদিকে জনতার
ক্ষোভ, অন্যদিকে রাজনৈতিক তকমা; সব মিলিয়ে মাঠপর্যায়ে
চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ‘বাহিনীর নিচুতলার’ সদস্যরা।
বাধ্যতামূলক
অবসরের হিড়িক ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাজা
অনিয়ম
ও বেপরোয়া রাজনৈতিক আনুগত্যের কারণে পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দফায়
দফায় ছাঁটাই করা হচ্ছে বিতর্কিত
কর্মকর্তাদের। ২০২৪ সালের ৫
আগস্টের পর থেকে এ
পর্যন্ত অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপিসহ বিভিন্ন
পদমর্যাদার ১৪১ জন কর্মকর্তাকে
সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী অবসরে
পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ
গত ২৩ জুলাই বিসিএস
পুলিশ ক্যাডারের ১৭ জন কর্মকর্তাকে
সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ অনুযায়ী
জনস্বার্থে অবসরে পাঠানো হয়। এদের অনেকের
বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের
আমলে ‘নৈশভোটের কারিগর’ হিসেবে কাজ করার গুরুতর
অভিযোগ রয়েছে।
অসন্তুষ্টি
ও ছাঁটাই প্রক্রিয়া নিয়ে নাম প্রকাশে
অনিচ্ছুক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
বলেন, "ঝড়ে আসলে কোনটা
পীরের বাড়ি, কোনটা ভাল মানুষের বাড়ি,
তা বিচার করার সুযোগ নেই।
ঝড়ের তাণ্ডবে ভাল-মন্দের হিসাব
করার সুযোগ নেই। তখন অনেকেই
ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তদ্রূপ ২০২৪
সালের ৫ আগস্টের পর
পুলিশ বাহিনীতে ঝড় এসেছে। এতে
ভাল-মন্দের হিসাব করার সুযোগ কম।
দলবাজ থেকে শুরু করে
রাতের ভোটের কারিগর সবাইকে একে একে অবসরে
যেতে হচ্ছে। এতে এক-দুইজন
হয়তো ভাল থাকতেও পারেন,
কিছু করার নেই। তারাও
রাতের ভোটে অংশ নিয়েছে।"
বেনজীর-হারুনদের অপকর্মের দায় পুরো বাহিনীর কাঁধে
বিদেশে
গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, দলবাজি ও নির্বাচনে কারচুপির
অভিযোগে কমপক্ষে ১৬টি মামলা রয়েছে।
তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার
উদ্যোগ নিলেও তার রক্ষায় নেপথ্যে
নানা তৎপরতার অভিযোগ উঠছে।
অন্যদিকে
সাবেক ডিবি প্রধান ডিআইজি
হারুন ও ডিসি বিপ্লব কুমার সরকারের মতো প্রতাপশালী কর্মকর্তাদের
বেপরোয়া আচরণ পুরো বাহিনীকে
চরম প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। সরকারের পতনের পর পরই এসব
কর্মকর্তার অনেকে বিদেশে পালিয়ে গেছেন বা আত্মগোপনে রয়েছেন।
সাবেক
এক ডিআইজি বলেন, "পুলিশ বাহিনী যে ঝড়ের কবলে
পড়েছে, তা এখন দূরারোগ্য
হয়ে উঠেছে। একের পর এক
সিনিয়রদের অবসরে পাঠানোসহ নানা কারণে মাঠ
প্রশাসনের কার্যক্রমে এখনো অস্থিরতা বিরাজ
করছে, যার জন্য জনভোগান্তি
কমছে না।"
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি ও জনগণের চরম দুর্ভোগ
থানা
পর্যায়ে সেবা নিতে গিয়ে
প্রতিনিয়ত ফিরে আসতে হচ্ছে
সাধারণ মানুষকে। অপরাধ দমনে স্থানীয়রা খবর
দিলেও অনেক এলাকায় সময়মতো
টহল দল যাচ্ছে না।
রাতে যে পুলিশি টহল
ছিল, তাও অনেক এলাকায়
বন্ধ। থানার ওসিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের
সঠিক তথ্য না দিয়ে
আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
থানা
পর্যায়ের একাধিক ওসির সাথে কথা
বলে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে
এখনো পুলিশকে জনগণের গালমন্দ শুনতে হচ্ছে। আগে মানুষ পুলিশকে
যে সম্মান দিত, তা অনেকটাই
ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবুও নিজেদের সীমাবদ্ধতা
আর চরম মানসিক চাপের
মধ্য থেকেই স্থানীয় লোকজনের সাথে মিলেমিশে নিরাপত্তার
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন অনেক কর্মকর্তা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
হুশিয়ারি: 'পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি চালু থাকবে'
গত ২৬ জুলাই স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বর্তমান
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জনপ্রত্যাশা ও জনআকাঙ্খা অনুযায়ী
একটি জনবান্ধব ও সেবামুখী বাহিনী
হিসেবে গড়ে তুলতে পুরস্কার
ও তিরস্কারের নীতি অব্যাহত রাখার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
মন্ত্রী
স্পষ্ট বার্তা দিয়ে আরও বলেন,
"যারা সততা, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে
দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের
কর্মের যথাযথ স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। আর
যারা আইন-বিধি লঙ্ঘন
করে জনসেবায় ব্যাঘাত ঘটাবেন বা অপকর্মে লিপ্ত
হবেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ও
আইনি তিরস্কারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন