ঢাকার হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও প্রযুক্তিগত
ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হতে চায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘সিকিউরিপোর্ট’। এ
বিষয়ে আলোচনার জন্য চলতি সপ্তাহেই প্রতিষ্ঠানটির একজন শীর্ষ কর্মকর্তার ঢাকা আসার
কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিকিউরিপোর্টের শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যান্ডরিক সিকিউরা ঢাকায়
সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে এরই মধ্যে যোগাযোগ করেছেন।
২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ভার্জিনিয়াভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বিভিন্ন দেশের
সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযুক্তি ও
সফটওয়্যার সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে তারা মূলত ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের
তথ্য সংরক্ষণের মতো কারিগরি কাজগুলোতে আগ্রহী।
বেসামরিক বিমান চলাচল
কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল পুরোপুরি চালু করার
চেষ্টা চলছে। তবে সিকিউরিপোর্টের আগ্রহের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাতে হবে।’
প্রায় ২৫ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা
ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে জাপানি সংস্থা জাইকা। ফলে শুরু
থেকেই এর পরিচালনার দায়িত্বে জাপানি কনসোর্টিয়ামের নাম আলোচনায় ছিল। আগামী ৩১
জুলাই জাপানি কনসোর্টিয়ামের দরপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে সংযুক্ত আরব
আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ডানাটা’ গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় আগ্রহ দেখিয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও তুরস্কের কিছু প্রতিষ্ঠানও আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই মেগা প্রকল্পের কাজ কিছুটা
মন্থর হলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তা দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু না হলেও গত জুন মাস থেকে জাইকার ঋণের কিস্তি পরিশোধ
শুরু করেছে বাংলাদেশ, যা ২০৫৬ সাল পর্যন্ত
চলবে।
\

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকার হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও প্রযুক্তিগত
ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হতে চায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘সিকিউরিপোর্ট’। এ
বিষয়ে আলোচনার জন্য চলতি সপ্তাহেই প্রতিষ্ঠানটির একজন শীর্ষ কর্মকর্তার ঢাকা আসার
কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিকিউরিপোর্টের শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যান্ডরিক সিকিউরা ঢাকায়
সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে এরই মধ্যে যোগাযোগ করেছেন।
২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ভার্জিনিয়াভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বিভিন্ন দেশের
সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযুক্তি ও
সফটওয়্যার সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে তারা মূলত ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের
তথ্য সংরক্ষণের মতো কারিগরি কাজগুলোতে আগ্রহী।
বেসামরিক বিমান চলাচল
কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল পুরোপুরি চালু করার
চেষ্টা চলছে। তবে সিকিউরিপোর্টের আগ্রহের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাতে হবে।’
প্রায় ২৫ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা
ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে জাপানি সংস্থা জাইকা। ফলে শুরু
থেকেই এর পরিচালনার দায়িত্বে জাপানি কনসোর্টিয়ামের নাম আলোচনায় ছিল। আগামী ৩১
জুলাই জাপানি কনসোর্টিয়ামের দরপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে সংযুক্ত আরব
আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ডানাটা’ গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় আগ্রহ দেখিয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও তুরস্কের কিছু প্রতিষ্ঠানও আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই মেগা প্রকল্পের কাজ কিছুটা
মন্থর হলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তা দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু না হলেও গত জুন মাস থেকে জাইকার ঋণের কিস্তি পরিশোধ
শুরু করেছে বাংলাদেশ, যা ২০৫৬ সাল পর্যন্ত
চলবে।
\

আপনার মতামত লিখুন