সংবাদ

কাজ শেষে কোষাগারে ফেরত সোয়া কোটি টাকা, চরফ্যাশনে দৃষ্টান্ত


প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৩০ এএম

কাজ শেষে কোষাগারে ফেরত সোয়া কোটি টাকা, চরফ্যাশনে দৃষ্টান্ত
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ। ছবি : সংগৃহীত

উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ মানেই কি নয়ছয়? ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন দেখাল উল্টো চিত্র। একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত কারিগরি মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার পর সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’–এর আওতায় উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ কাজের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৬ লাখ টাকা।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে মাঠপর্যায়ে বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে খালের কয়েকটি অংশে প্রাক্কলনের (এস্টিমেট) তুলনায় কম প্রস্থ ও গভীরতায় খনন প্রয়োজন হয়। ফলে বরাদ্দের অর্ধেক অর্থ ব্যয় করেই কাজ মানসম্মতভাবে শেষ করা সম্ভব হয়। সরকারি আর্থিক বিধিমালা মেনে অবশিষ্ট ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে থাকায় স্থানীয়রা জলাবদ্ধতায় ভুগছিলেন। আমরা পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করতে খালটি পুনঃখনন করেছি। সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। অপচয় রোধ ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সাশ্রয় হওয়া পুরো টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


কাজ শেষে কোষাগারে ফেরত সোয়া কোটি টাকা, চরফ্যাশনে দৃষ্টান্ত

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ মানেই কি নয়ছয়? ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন দেখাল উল্টো চিত্র। একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত কারিগরি মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার পর সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’–এর আওতায় উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ কাজের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৬ লাখ টাকা।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে মাঠপর্যায়ে বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে খালের কয়েকটি অংশে প্রাক্কলনের (এস্টিমেট) তুলনায় কম প্রস্থ ও গভীরতায় খনন প্রয়োজন হয়। ফলে বরাদ্দের অর্ধেক অর্থ ব্যয় করেই কাজ মানসম্মতভাবে শেষ করা সম্ভব হয়। সরকারি আর্থিক বিধিমালা মেনে অবশিষ্ট ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে থাকায় স্থানীয়রা জলাবদ্ধতায় ভুগছিলেন। আমরা পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করতে খালটি পুনঃখনন করেছি। সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। অপচয় রোধ ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সাশ্রয় হওয়া পুরো টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত