সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’


প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’
ছবি : সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের চিলারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. আলাউদ্দীন (৫৬) ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা পেশায় দিনমজুর। ঘটনার দিন সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান। মা-ও কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন। দুপুরে ওই কিশোরী বাড়িতে একা ছিল।

দুপুর দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ওই বাড়িতে যান এবং কিশোরীর কাছে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপি চান। কিশোরী কাগজপত্র দিলে আলাউদ্দীন বাড়ির অন্যদের বিষয়ে খোঁজ নেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি ঘরের ভেতর ঢুকে কিশোরীর শ্লীলতাহানি করেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

কিশোরী আত্মরক্ষার্থে খাটের নিচে আশ্রয় নেয় এবং পরে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দীন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

দিনাজপুর থেকে ফিরে বাবা মেয়ের গলায় আঘাতের চিহ্ন ও শারীরিক অসুস্থতা দেখে তাকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য উল্টো তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী সংবাদকে বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের চিলারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. আলাউদ্দীন (৫৬) ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা পেশায় দিনমজুর। ঘটনার দিন সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান। মা-ও কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন। দুপুরে ওই কিশোরী বাড়িতে একা ছিল।

দুপুর দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে ওই বাড়িতে যান এবং কিশোরীর কাছে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ফটোকপি চান। কিশোরী কাগজপত্র দিলে আলাউদ্দীন বাড়ির অন্যদের বিষয়ে খোঁজ নেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি ঘরের ভেতর ঢুকে কিশোরীর শ্লীলতাহানি করেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

কিশোরী আত্মরক্ষার্থে খাটের নিচে আশ্রয় নেয় এবং পরে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দীন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

দিনাজপুর থেকে ফিরে বাবা মেয়ের গলায় আঘাতের চিহ্ন ও শারীরিক অসুস্থতা দেখে তাকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য উল্টো তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী সংবাদকে বলেন, এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত