সংবাদ

গাকৃবিতে গবেষণা : কাঁঠালের বীজে পুষ্টির খনি


জেলা বার্তা পরিবেশক, গাজীপুর
জেলা বার্তা পরিবেশক, গাজীপুর
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৭ এএম

গাকৃবিতে গবেষণা : কাঁঠালের বীজে পুষ্টির খনি
ছবি : সংবাদ

এতদিন যে কাঁঠালের বীজকে কৃষিজ বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া হতো, তা থেকেই পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য উপাদান তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) গবেষকরা। এই বিশেষ উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের পেটেন্ট অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

গাকৃবির খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং তাঁর স্নাতকোত্তর গবেষক মো. আকরাম হোসেন দীর্ঘ তিন বছরের গবেষণায় এই সাফল্য পান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘গ্রান্টস ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (GARE)’ প্রকল্পের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।

গবেষকরা জানান, সাধারণ শুকনো কাঁঠালের বীজে যে পরিমাণ খনিজ থাকে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তা প্রায় ১৬ থেকে ১৭ গুণ পর্যন্ত ঘনীভূত করা সম্ভব। এতে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও জিংকের মতো মানবদেহের জন্য অপরিহার্য খনিজ উপাদানসমৃদ্ধ খাদ্য তৈরি করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, গাকৃবির নাম পরিবর্তনের পর এটিই প্রথম পেটেন্টপ্রাপ্ত উদ্ভাবন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ২১টিতে।

গাকৃবির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই উদ্ভাবন দেশের খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণায় একটি মাইলফলক। এটি কৃষিজ বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

মূল গবেষক অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক জানান, প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা গেলে নতুন ধরনের পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য উৎপাদন সম্ভব হবে, যা কৃষকের আয় বাড়াতে এবং কৃষিজ সম্পদের সঠিক ব্যবহারে বড় অবদান রাখবে। উল্লেখ্য, গাকৃবির গবেষকরা এ পর্যন্ত ৯৭টি উচ্চফলনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


গাকৃবিতে গবেষণা : কাঁঠালের বীজে পুষ্টির খনি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

এতদিন যে কাঁঠালের বীজকে কৃষিজ বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া হতো, তা থেকেই পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য উপাদান তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) গবেষকরা। এই বিশেষ উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের পেটেন্ট অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

গাকৃবির খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং তাঁর স্নাতকোত্তর গবেষক মো. আকরাম হোসেন দীর্ঘ তিন বছরের গবেষণায় এই সাফল্য পান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘গ্রান্টস ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (GARE)’ প্রকল্পের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।

গবেষকরা জানান, সাধারণ শুকনো কাঁঠালের বীজে যে পরিমাণ খনিজ থাকে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তা প্রায় ১৬ থেকে ১৭ গুণ পর্যন্ত ঘনীভূত করা সম্ভব। এতে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও জিংকের মতো মানবদেহের জন্য অপরিহার্য খনিজ উপাদানসমৃদ্ধ খাদ্য তৈরি করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, গাকৃবির নাম পরিবর্তনের পর এটিই প্রথম পেটেন্টপ্রাপ্ত উদ্ভাবন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ২১টিতে।

গাকৃবির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই উদ্ভাবন দেশের খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণায় একটি মাইলফলক। এটি কৃষিজ বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

মূল গবেষক অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক জানান, প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা গেলে নতুন ধরনের পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য উৎপাদন সম্ভব হবে, যা কৃষকের আয় বাড়াতে এবং কৃষিজ সম্পদের সঠিক ব্যবহারে বড় অবদান রাখবে। উল্লেখ্য, গাকৃবির গবেষকরা এ পর্যন্ত ৯৭টি উচ্চফলনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত