প্রত্যেক মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অপরাধীদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম এই ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ, এসবি, পিবিআই, সিআইডি, টুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, এপিবিএন, রেলওয়ে পুলিশ, রেঞ্জ ও জেলার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। এছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, ডিআইজি (অপারেশনস) মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অপরাধ যেন কোনোভাবেই বাড়তে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার তাগিদ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত আইজি বলেন, অপরাধ যেন না বাড়তে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
একইসঙ্গে তিনি হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি ও অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তির জোরালো নির্দেশনা প্রদান করেন।
চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই বৈঠকে গত জুন মাসের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ঘটনাসহ সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়। সভায় মূলত ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ মামলা, মুলতবি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন, মামলার তদন্ত ও বিচারের ফলাফল এবং অপরাধীদের সাজার হার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রত্যেক মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অপরাধীদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম এই ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ, এসবি, পিবিআই, সিআইডি, টুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, এপিবিএন, রেলওয়ে পুলিশ, রেঞ্জ ও জেলার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। এছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, ডিআইজি (অপারেশনস) মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অপরাধ যেন কোনোভাবেই বাড়তে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার তাগিদ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত আইজি বলেন, অপরাধ যেন না বাড়তে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
একইসঙ্গে তিনি হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি ও অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তির জোরালো নির্দেশনা প্রদান করেন।
চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই বৈঠকে গত জুন মাসের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ঘটনাসহ সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়। সভায় মূলত ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ মামলা, মুলতবি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন, মামলার তদন্ত ও বিচারের ফলাফল এবং অপরাধীদের সাজার হার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আপনার মতামত লিখুন