শাপলা চত্বরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে শাপলা চত্বরের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। আদালতের আদেশ শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে লতিফ সিদ্দিকীকে হাতকড়া পরিয়ে বের করা হয়।
এর আগে বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে শাহবাগ থানার এক মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার না করলে তিনি নিজেই ‘আত্মসমর্পণ’ করবেন। পরে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
লতিফ সিদ্দিকী এদিন ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে কথা বলতে চাইলেও বিচারক অনুমতি দেননি। তার আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল জানান, আদালত বলেছে পরবর্তী তারিখে আসলে তখন কথা বলতে পারবেন।
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি পক্ষে যেহেতু কোনো জামিনের আবেদন ছিল না, তাই আমাদের আবেদন মোতাবেক এবং আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
২০১৩ সালের ৫ মে ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজতে ইসলাম। সেদিন সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা ও তাণ্ডব চলে। রাতে যৌথ অভিযানে তাদের মতিঝিল থেকে সরানো হয়।
ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম গত ২৭ জুলাই জানান, শাপলা চত্বরে ৩২ জন এবং নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আরও ২০ জনকে হত্যা করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৩(২)(সি) ধারার আওতায় উভয় ঘটনাকে জেনোসাইড হিসেবে অভিযোগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গত ২৭ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়ে পলাতক ৩১ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে হাজিরের নির্দেশ দেয়। এ মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর নাম ১০ নম্বরে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
শাপলা চত্বরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ তাকে শাপলা চত্বরের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। আদালতের আদেশ শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে লতিফ সিদ্দিকীকে হাতকড়া পরিয়ে বের করা হয়।
এর আগে বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে শাহবাগ থানার এক মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার না করলে তিনি নিজেই ‘আত্মসমর্পণ’ করবেন। পরে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
লতিফ সিদ্দিকী এদিন ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে কথা বলতে চাইলেও বিচারক অনুমতি দেননি। তার আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল জানান, আদালত বলেছে পরবর্তী তারিখে আসলে তখন কথা বলতে পারবেন।
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি পক্ষে যেহেতু কোনো জামিনের আবেদন ছিল না, তাই আমাদের আবেদন মোতাবেক এবং আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
২০১৩ সালের ৫ মে ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজতে ইসলাম। সেদিন সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক সহিংসতা ও তাণ্ডব চলে। রাতে যৌথ অভিযানে তাদের মতিঝিল থেকে সরানো হয়।
ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম গত ২৭ জুলাই জানান, শাপলা চত্বরে ৩২ জন এবং নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আরও ২০ জনকে হত্যা করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৩(২)(সি) ধারার আওতায় উভয় ঘটনাকে জেনোসাইড হিসেবে অভিযোগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গত ২৭ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নিয়ে পলাতক ৩১ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে হাজিরের নির্দেশ দেয়। এ মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর নাম ১০ নম্বরে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন