চিত্রনায়িকা পরীমনি অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ চলাকালেও তার বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এবার এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
রাজধানীর শুটিং ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুধবার (২৯ জুলাই) পরীমনি তার ব্যক্তিগত জীবন, চলমান আইনি লড়াই, গ্রেপ্তারের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে আবারও বিয়ে করার সম্ভাবনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
পরীমনি বলেন, ‘আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি জানি না।’
গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জেল থেকে আসার পর এ বিষয়ে আমি একবারও কথা বলিনি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন ব্লাস্ট করে। আপনি যতই চাপা দিয়ে রাখেন, কোনো না কোনোভাবে তা বেরিয়ে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনি কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।’
তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তিনি জানান, তখন গ্রেপ্তারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি তার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না।
পরীমনি জানান, পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে তার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল। তবে তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই ছয় বছরে ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি যে কী পরিমাণ হ্যাপি, মনে হয়েছে যে আমার দুইটা পাখা হয়েছে, আমি অনেক রিলিফ হয়ে গেছি, আমার মনে হয় ঘাড় থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে।’
চলমান আইনি প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব। আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে সম্মান ফিরিয়ে দেবে।’
দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।’

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
চিত্রনায়িকা পরীমনি অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ চলাকালেও তার বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এবার এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
রাজধানীর শুটিং ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুধবার (২৯ জুলাই) পরীমনি তার ব্যক্তিগত জীবন, চলমান আইনি লড়াই, গ্রেপ্তারের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে আবারও বিয়ে করার সম্ভাবনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
পরীমনি বলেন, ‘আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, সেখানেও গালি খাই। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি জানি না।’
গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জেল থেকে আসার পর এ বিষয়ে আমি একবারও কথা বলিনি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন ব্লাস্ট করে। আপনি যতই চাপা দিয়ে রাখেন, কোনো না কোনোভাবে তা বেরিয়ে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনি কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।’
তিনি দাবি করেন, তাকে গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তিনি জানান, তখন গ্রেপ্তারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি তার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না।
পরীমনি জানান, পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে তার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল। তবে তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই ছয় বছরে ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি যে কী পরিমাণ হ্যাপি, মনে হয়েছে যে আমার দুইটা পাখা হয়েছে, আমি অনেক রিলিফ হয়ে গেছি, আমার মনে হয় ঘাড় থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে।’
চলমান আইনি প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব। আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে সম্মান ফিরিয়ে দেবে।’
দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।’

আপনার মতামত লিখুন