দেশের তরল জ্বালানি খাতের ব্যবসা বর্তমানে চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বার্তায় সংগঠনটি জানিয়েছে, অতিরিক্ত লাইসেন্স প্রক্রিয়া, উচ্চ ব্যয়, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং সীমিত কমিশনের কারণে পেট্রোল পাম্প ব্যবসা টিকিয়ে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
বার্তায় বলা হয়, জ্বালানি খাতে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রায় ১০ ধরনের লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। এসব লাইসেন্স পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পাশাপাশি বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে নানান জটিলতার কারণে বছরের পর বছরেও লাইসেন্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের দাবি, তারা মূলত কমিশনভিত্তিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করে তেল কিনতে হয়। এরপর বাজারে বাকিতে বিক্রি এবং বকেয়া আদায়ের ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়।
সমিতির ভাষ্য, জ্বালানি বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও প্রকৃত মুনাফার বড় অংশ চলে যায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছে।
অন্যদিকে, পাম্প মালিকদের ওপর দিন দিন নতুন নতুন প্রশাসনিক নির্দেশনা ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, যা ব্যবসা পরিচালনাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সৎ ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তরল জ্বালানি খাতের অনেক ব্যবসায়ী ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।
সংগঠনটি মনে করে, বিদ্যমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের পেট্রোল পাম্প ব্যবসা আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
দেশের তরল জ্বালানি খাতের ব্যবসা বর্তমানে চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বার্তায় সংগঠনটি জানিয়েছে, অতিরিক্ত লাইসেন্স প্রক্রিয়া, উচ্চ ব্যয়, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং সীমিত কমিশনের কারণে পেট্রোল পাম্প ব্যবসা টিকিয়ে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
বার্তায় বলা হয়, জ্বালানি খাতে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রায় ১০ ধরনের লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। এসব লাইসেন্স পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পাশাপাশি বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে নানান জটিলতার কারণে বছরের পর বছরেও লাইসেন্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের দাবি, তারা মূলত কমিশনভিত্তিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করে তেল কিনতে হয়। এরপর বাজারে বাকিতে বিক্রি এবং বকেয়া আদায়ের ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়।
সমিতির ভাষ্য, জ্বালানি বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও প্রকৃত মুনাফার বড় অংশ চলে যায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছে।
অন্যদিকে, পাম্প মালিকদের ওপর দিন দিন নতুন নতুন প্রশাসনিক নির্দেশনা ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, যা ব্যবসা পরিচালনাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সৎ ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তরল জ্বালানি খাতের অনেক ব্যবসায়ী ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।
সংগঠনটি মনে করে, বিদ্যমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের পেট্রোল পাম্প ব্যবসা আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন