সংবাদ

যমুনার পেটে যাচ্ছে বাপ-দাদার শেষ ভিটে


​মো. লুৎফর রহমান, মানিকগঞ্জ
​মো. লুৎফর রহমান, মানিকগঞ্জ
প্রকাশ: ১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

যমুনার পেটে যাচ্ছে বাপ-দাদার শেষ ভিটে
যমুনার করাল গ্রাসে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি : সংবাদ

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। গত কয়েক দিনের আকস্মিক ভাঙনে এরই মধ্যে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অন্তত ১২টি পরিবার। সম্বল হারিয়ে অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মোকছেদ আলী ও ইসলাম উদ্দিন বলেন, "নদীর পেটে সব শেষ হয়ে গেছে, আমরা পুরোপুরি দিশেহারা। চোখের সামনে বাপ-দাদার শেষ স্মৃতিটুকুও রক্ষা করতে পারলাম না।" তারা এই সংকট মোকাবিলায় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আহাম্মদ আলী ও রফিকুল ইসলাম জানান, জরুরি ভিত্তিতে অন্তত ৫০০ ফুট এলাকায় জিওব্যাগ (বালুভর্তি বস্তা) ফেলা না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় লাউতারা ও ছনপাড়ার আরও প্রায় ২০০ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া গ্রামের একমাত্র প্রধান সংযোগ সড়ক, মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

জিয়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আতোয়ার রহমান বলেন, নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


যমুনার পেটে যাচ্ছে বাপ-দাদার শেষ ভিটে

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলার জিয়নপুর ইউনিয়নের বড় লাউতারা ও ছনপাড়া গ্রামে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গ্রামীণ অবকাঠামো। গত কয়েক দিনের আকস্মিক ভাঙনে এরই মধ্যে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অন্তত ১২টি পরিবার। সম্বল হারিয়ে অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মোকছেদ আলী ও ইসলাম উদ্দিন বলেন, "নদীর পেটে সব শেষ হয়ে গেছে, আমরা পুরোপুরি দিশেহারা। চোখের সামনে বাপ-দাদার শেষ স্মৃতিটুকুও রক্ষা করতে পারলাম না।" তারা এই সংকট মোকাবিলায় মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আহাম্মদ আলী ও রফিকুল ইসলাম জানান, জরুরি ভিত্তিতে অন্তত ৫০০ ফুট এলাকায় জিওব্যাগ (বালুভর্তি বস্তা) ফেলা না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় লাউতারা ও ছনপাড়ার আরও প্রায় ২০০ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া গ্রামের একমাত্র প্রধান সংযোগ সড়ক, মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

জিয়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আতোয়ার রহমান বলেন, নদীভাঙনের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে সাময়িক প্রতিরোধ এবং পরবর্তীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত