পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর জোর দিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনাম।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম সাধারণ পরিষদের সাইডলাইন বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই তাগিদ দেন।
রবিবার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি এবং দ্রুত উৎপাদনে যাওয়ার নানাবিধ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্ব নির্ধারিত সময়সীমা মেনে প্রকল্পের বাকি কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার বিষয়ে উভয় দেশ একমত পোষণ করেছে।
প্রকল্পের নিরাপত্তা ও মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনাম স্পষ্ট করে বলেন, "নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে রূপপুর প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।"
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক নিরাপত্তার সব নীতি মেনে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সাফল্যের সাথে বাস্তবায়নে রাশিয়ার সহায়তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, "প্রকল্প বাস্তবায়নে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে।"
বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর জোর দিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনাম।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম সাধারণ পরিষদের সাইডলাইন বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই তাগিদ দেন।
রবিবার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি এবং দ্রুত উৎপাদনে যাওয়ার নানাবিধ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্ব নির্ধারিত সময়সীমা মেনে প্রকল্পের বাকি কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার বিষয়ে উভয় দেশ একমত পোষণ করেছে।
প্রকল্পের নিরাপত্তা ও মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনাম স্পষ্ট করে বলেন, "নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে রূপপুর প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।"
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক নিরাপত্তার সব নীতি মেনে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সাফল্যের সাথে বাস্তবায়নে রাশিয়ার সহায়তার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, "প্রকল্প বাস্তবায়নে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে।"
বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন