সংবাদ

সাগরের তল মিললেও মিলছে না বিগত সরকারের দুর্নীতির সীমানা: কৃষিমন্ত্রী


প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম

সাগরের তল মিললেও মিলছে না বিগত সরকারের দুর্নীতির সীমানা: কৃষিমন্ত্রী

জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বেআক্রমণাত্মক আশাব্যঞ্জক’ বক্তব্য দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ।

বিগত সরকারের অনিয়ম দুর্নীতির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরের তল খুঁজে পাওয়া গেলেও অতীত সরকারের দুর্নীতির কোনো সীমানা বা শেষ খুঁজে বের করা সম্ভব নয়।

দুর্নীতির পাহাড় ডিঙিয়ে কৃষিখাতকে সঠিক পথে ফেরানোই এখন বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে কুষ্টিয়া- আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

রেজা আহমেদ তার প্রশ্নে অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গায় সোলার প্যানেল বসানোর পর্যাপ্ত জায়গা থাকলেও সেখানে প্রয়োজনীয় ডিপ টিউবওয়েলের লাইসেন্স পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি মাঠ পর্যায়ে এখনো ফ্যাসিস্টদের দোসর দালালদের মাধ্যমে কাজ করতে হচ্ছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কোনো বাধা সহ্য করা হবে না। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমাদের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার, কৃষক চাঙ্গা হলেই দেশ চাঙ্গা হবে। এই দর্শন বাস্তবায়নে সরকার এরই মধ্যে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

অধিবেশনে কুড়িগ্রাম- আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বিশেষ ঋণ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চান। অন্যদিকে মাদারীপুরের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান ইউনিয়নভিত্তিক ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ সরকারি উদ্যোগে ফসল সংগ্রহের প্রস্তাব দেন।

জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকার কৃষিপণ্য সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে পেঁয়াজ তিন মাস পর্যন্ত পচনমুক্ত রাখার নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৬৮ জন কৃষকের মাঝে উন্নত প্রযুক্তি বিলি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে যাতে কৃষকরা নিজেরাই নিজেদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারেন এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়। জনদুর্ভোগ কমাতে এবং কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


সাগরের তল মিললেও মিলছে না বিগত সরকারের দুর্নীতির সীমানা: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বেআক্রমণাত্মক আশাব্যঞ্জক’ বক্তব্য দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ।

বিগত সরকারের অনিয়ম দুর্নীতির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরের তল খুঁজে পাওয়া গেলেও অতীত সরকারের দুর্নীতির কোনো সীমানা বা শেষ খুঁজে বের করা সম্ভব নয়।

দুর্নীতির পাহাড় ডিঙিয়ে কৃষিখাতকে সঠিক পথে ফেরানোই এখন বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে কুষ্টিয়া- আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

রেজা আহমেদ তার প্রশ্নে অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গায় সোলার প্যানেল বসানোর পর্যাপ্ত জায়গা থাকলেও সেখানে প্রয়োজনীয় ডিপ টিউবওয়েলের লাইসেন্স পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি মাঠ পর্যায়ে এখনো ফ্যাসিস্টদের দোসর দালালদের মাধ্যমে কাজ করতে হচ্ছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কোনো বাধা সহ্য করা হবে না। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমাদের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার, কৃষক চাঙ্গা হলেই দেশ চাঙ্গা হবে। এই দর্শন বাস্তবায়নে সরকার এরই মধ্যে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

অধিবেশনে কুড়িগ্রাম- আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য বিশেষ ঋণ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চান। অন্যদিকে মাদারীপুরের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান ইউনিয়নভিত্তিক ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ সরকারি উদ্যোগে ফসল সংগ্রহের প্রস্তাব দেন।

জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকার কৃষিপণ্য সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে পেঁয়াজ তিন মাস পর্যন্ত পচনমুক্ত রাখার নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৬৮ জন কৃষকের মাঝে উন্নত প্রযুক্তি বিলি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে যাতে কৃষকরা নিজেরাই নিজেদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারেন এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়। জনদুর্ভোগ কমাতে এবং কৃষকের মুখে হাসি ফোটাতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত