স্বপ্নের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে সফলভাবে জ্বালানি লোডিং বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ সম্পন্ন হওয়ায় উৎসবে মেতেছে সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক যুগে প্রবেশের এই ‘ঐতিহাসিক ধাপে’ অসাধারণ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ায় প্রকল্পে কর্মরত ৬০ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই স্বীকৃতি তুলে দেওয়া হয়।
প্রকল্প
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে,
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ এবং এটি চালুর
চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে যারা দিনরাত নিরলস
শ্রম দিয়েছেন, মূলত তাদের দায়িত্বশীলতা
ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা জানানো
হয়েছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। কর্মকর্তারা
মনে করছেন, এই স্বীকৃতি আগামী
দিনে প্রকল্পের বাকি কাজগুলো আরও
সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে অনুপ্রাণিত
করবে।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত বক্তারা এই অর্জনকে দেশের
জ্বালানি খাতের জন্য একটি বিশাল
মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তারা তাদের বক্তব্যে
উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ও স্পর্শকাতর প্রকল্প। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের
পর প্রকল্পটি এখন পূর্ণাঙ্গ বাস্তবতার
দিকে ধাবিত হচ্ছে।
বক্তারা
আরও বলেন, “আমরা আশা করছি,
অদূর ভবিষ্যতে সফলভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে এই প্রকল্প দেশের
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক অবিস্মরণীয়
ভূমিকা পালন করবে। এটি
কেবল একটি প্রকল্পের সাফল্য
নয়, বরং সংশ্লিষ্ট সবার
সমন্বিত সক্ষমতার ফসল।”
উল্লেখ্য,
রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম চলতি বছরের ২৮
এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। অত্যন্ত
সতর্কতার সাথে ধাপে ধাপে
রিঅ্যাক্টর কোরে ১৬৩টি পারমাণবিক
জ্বালানি অ্যাসেম্বলি সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ
উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া শুরু
হওয়ার আগে এই পর্যায়টিকে
কারিগরিভাবে সবথেকে চ্যালেঞ্জিং ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাশিয়ার
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও আর্থিক সহযোগিতায়
নির্মিত এই প্রকল্পে মোট
২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার
দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন
করা হচ্ছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান
বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনুষ্ঠান
শেষে সম্মাননাপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
স্বপ্নের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে সফলভাবে জ্বালানি লোডিং বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ সম্পন্ন হওয়ায় উৎসবে মেতেছে সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক যুগে প্রবেশের এই ‘ঐতিহাসিক ধাপে’ অসাধারণ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ায় প্রকল্পে কর্মরত ৬০ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই স্বীকৃতি তুলে দেওয়া হয়।
প্রকল্প
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে,
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ এবং এটি চালুর
চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে যারা দিনরাত নিরলস
শ্রম দিয়েছেন, মূলত তাদের দায়িত্বশীলতা
ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা জানানো
হয়েছে। অনুষ্ঠান চলাকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। কর্মকর্তারা
মনে করছেন, এই স্বীকৃতি আগামী
দিনে প্রকল্পের বাকি কাজগুলো আরও
সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে অনুপ্রাণিত
করবে।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত বক্তারা এই অর্জনকে দেশের
জ্বালানি খাতের জন্য একটি বিশাল
মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তারা তাদের বক্তব্যে
উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ও স্পর্শকাতর প্রকল্প। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের
পর প্রকল্পটি এখন পূর্ণাঙ্গ বাস্তবতার
দিকে ধাবিত হচ্ছে।
বক্তারা
আরও বলেন, “আমরা আশা করছি,
অদূর ভবিষ্যতে সফলভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে এই প্রকল্প দেশের
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক অবিস্মরণীয়
ভূমিকা পালন করবে। এটি
কেবল একটি প্রকল্পের সাফল্য
নয়, বরং সংশ্লিষ্ট সবার
সমন্বিত সক্ষমতার ফসল।”
উল্লেখ্য,
রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম চলতি বছরের ২৮
এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। অত্যন্ত
সতর্কতার সাথে ধাপে ধাপে
রিঅ্যাক্টর কোরে ১৬৩টি পারমাণবিক
জ্বালানি অ্যাসেম্বলি সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ
উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া শুরু
হওয়ার আগে এই পর্যায়টিকে
কারিগরিভাবে সবথেকে চ্যালেঞ্জিং ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাশিয়ার
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও আর্থিক সহযোগিতায়
নির্মিত এই প্রকল্পে মোট
২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার
দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন
করা হচ্ছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান
বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনুষ্ঠান
শেষে সম্মাননাপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন