সরকারি
ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীর সংখ্যা বাড়াতে এবার বড় ধরনের
নজিরবিহীন সব অফার ও
বিশেষ প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। নির্দিষ্ট কোটা অনুযায়ী সরকারি
মাধ্যমে হজযাত্রী সংগ্রহ করতে পারলেই মিলবে
নগদ টাকা, সরকারি হজ টিমে অন্তর্ভুক্তি
এবং পবিত্র হজ পালনের এক
সুবর্ণ সুযোগ। গত ১১ মে
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক
জরুরি চিঠিতে এই নতুন সিদ্ধান্তের
কথা জানানো হয়েছে।
ধর্ম
মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, যারা
নিজস্ব ইউজার আইডি ব্যবহার করে
হজযাত্রী সংগ্রহ করবেন, সেই নির্বাচিত হজ
গাইডদের সৌদি আরব যাওয়ার
সময় বড় অঙ্কের আর্থিক
প্রণোদনা দেওয়া হবে। যদি কোনো
গাইড ৪০ জন বা
তার বেশি হজযাত্রী সংগ্রহ
করতে পারেন, তবে তিনি পাবেন
সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩০
হাজার টাকা। এছাড়া ৩০ থেকে ৩৯
জন যাত্রী সংগ্রহের জন্য ১ লাখ
২০ হাজার টাকা, ২০ থেকে ২৯
জনের জন্য ১ লাখ
১০ হাজার টাকা এবং ২০
জনের কম হজযাত্রী সংগ্রহ
করলেও মিলবে ১ লাখ টাকা
নগদ প্রণোদনা।
পাশাপাশি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। ধর্ম মন্ত্রণালয় বা
এর অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থার কোনো
কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি
নিজের আইডিতে ১০০ জনের বেশি
হজযাত্রী নিবন্ধন করাতে পারেন, তবে তিনি সরকারি
হজ টিমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার
ক্ষেত্রে সরাসরি অগ্রাধিকার পাবেন। একই সাথে সরকারি
মাধ্যমে দেশের যে ১৫টি জেলা
থেকে সর্বোচ্চ হজযাত্রী নিবন্ধিত হবে, সেই জেলাগুলোর
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাঠ পর্যায়ের একজন
করে কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বিভিন্ন
টিমের সদস্য করে সরকারি খরচে
সৌদি আরবে পাঠানো হবে।
তবে কোনো জেলায় যদি
হজযাত্রীর সংখ্যা ১০০ জনের কম
হয়, তাহলে সেই জেলা এই
সুবিধার আওতায় আসবে না। এছাড়া
কোনো বিভাগ যদি এই সুবিধা
থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হয়, তবে ওই
বিভাগের সর্বোচ্চ নিবন্ধিত জেলার একজনকে টিম সদস্য করা
হবে, তবে শর্ত থাকে
যে সংশ্লিষ্ট জেলায় কমপক্ষে ৫০ জন হজযাত্রী
থাকতে হবে।
যারা
গাইড বা টিম সদস্য
হতে পারবেন না, তাদের জন্যও
থাকছে দারুণ সুযোগ। সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে
যারা নিজস্ব আইডিতে কমপক্ষে ৩০ জন হজযাত্রী
নিবন্ধন করেছেন অথচ গাইড বা
টিম সদস্য হতে পারেননি, তারা
কেবল বিমানভাড়া পরিশোধ করেই হজ পালনের
সুযোগ পাবেন।
এছাড়া
আগামী ২০২৭ সাল থেকে
হজ গাইডদের কাজের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে অন্তত ১০
জনকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা
নগদ পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক
দেওয়া হবে। একইভাবে যারা
৩০ জন বা তার
বেশি হজযাত্রী সংগ্রহ করেও গাইড, টিম
সদস্য কিংবা বিমানভাড়ায় হজ পালনের সুযোগ
নিতে চান না বা
পারবেন না, তাদের জন্য
সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা
আর্থিক পুরস্কার ও বিশেষ সম্মাননা
দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
সরকারি
ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীর সংখ্যা বাড়াতে এবার বড় ধরনের
নজিরবিহীন সব অফার ও
বিশেষ প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। নির্দিষ্ট কোটা অনুযায়ী সরকারি
মাধ্যমে হজযাত্রী সংগ্রহ করতে পারলেই মিলবে
নগদ টাকা, সরকারি হজ টিমে অন্তর্ভুক্তি
এবং পবিত্র হজ পালনের এক
সুবর্ণ সুযোগ। গত ১১ মে
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক
জরুরি চিঠিতে এই নতুন সিদ্ধান্তের
কথা জানানো হয়েছে।
ধর্ম
মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, যারা
নিজস্ব ইউজার আইডি ব্যবহার করে
হজযাত্রী সংগ্রহ করবেন, সেই নির্বাচিত হজ
গাইডদের সৌদি আরব যাওয়ার
সময় বড় অঙ্কের আর্থিক
প্রণোদনা দেওয়া হবে। যদি কোনো
গাইড ৪০ জন বা
তার বেশি হজযাত্রী সংগ্রহ
করতে পারেন, তবে তিনি পাবেন
সর্বোচ্চ ১ লাখ ৩০
হাজার টাকা। এছাড়া ৩০ থেকে ৩৯
জন যাত্রী সংগ্রহের জন্য ১ লাখ
২০ হাজার টাকা, ২০ থেকে ২৯
জনের জন্য ১ লাখ
১০ হাজার টাকা এবং ২০
জনের কম হজযাত্রী সংগ্রহ
করলেও মিলবে ১ লাখ টাকা
নগদ প্রণোদনা।
পাশাপাশি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। ধর্ম মন্ত্রণালয় বা
এর অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থার কোনো
কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি
নিজের আইডিতে ১০০ জনের বেশি
হজযাত্রী নিবন্ধন করাতে পারেন, তবে তিনি সরকারি
হজ টিমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার
ক্ষেত্রে সরাসরি অগ্রাধিকার পাবেন। একই সাথে সরকারি
মাধ্যমে দেশের যে ১৫টি জেলা
থেকে সর্বোচ্চ হজযাত্রী নিবন্ধিত হবে, সেই জেলাগুলোর
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাঠ পর্যায়ের একজন
করে কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বিভিন্ন
টিমের সদস্য করে সরকারি খরচে
সৌদি আরবে পাঠানো হবে।
তবে কোনো জেলায় যদি
হজযাত্রীর সংখ্যা ১০০ জনের কম
হয়, তাহলে সেই জেলা এই
সুবিধার আওতায় আসবে না। এছাড়া
কোনো বিভাগ যদি এই সুবিধা
থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হয়, তবে ওই
বিভাগের সর্বোচ্চ নিবন্ধিত জেলার একজনকে টিম সদস্য করা
হবে, তবে শর্ত থাকে
যে সংশ্লিষ্ট জেলায় কমপক্ষে ৫০ জন হজযাত্রী
থাকতে হবে।
যারা
গাইড বা টিম সদস্য
হতে পারবেন না, তাদের জন্যও
থাকছে দারুণ সুযোগ। সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে
যারা নিজস্ব আইডিতে কমপক্ষে ৩০ জন হজযাত্রী
নিবন্ধন করেছেন অথচ গাইড বা
টিম সদস্য হতে পারেননি, তারা
কেবল বিমানভাড়া পরিশোধ করেই হজ পালনের
সুযোগ পাবেন।
এছাড়া
আগামী ২০২৭ সাল থেকে
হজ গাইডদের কাজের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে অন্তত ১০
জনকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা
নগদ পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক
দেওয়া হবে। একইভাবে যারা
৩০ জন বা তার
বেশি হজযাত্রী সংগ্রহ করেও গাইড, টিম
সদস্য কিংবা বিমানভাড়ায় হজ পালনের সুযোগ
নিতে চান না বা
পারবেন না, তাদের জন্য
সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা
আর্থিক পুরস্কার ও বিশেষ সম্মাননা
দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন