ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ নকল করে ‘ডিপফেইক’ প্রযুক্তির সাহায্যে যৌন উত্তেজক পণ্যের রমরমা প্রতারণা ব্যবসার অভিযোগে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানী ও চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের জালে বন্দি করে।
শুক্রবার
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ
তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের
রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
গ্রেপ্তাররা
হলেন: আব্দুর রহমান মানিক ওরফে রাহাত এবং
ফুরকান মিয়া। এর আগে গত
২৪ এপ্রিল এই চক্রের আরও
১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যারা
বর্তমানে কারাগারে আছেন। তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই শামিম হাসান
আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের
রিমান্ড আবেদন করেন।
আবেদনে
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আসামিরা এআই ও ডিপফেইক
প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল জালিয়াতি করে আসছিল। চক্রটি
দেশব্যাপী সক্রিয় এবং তারা ফেইসবুক
বিজ্ঞাপনের জন্য ডলারের মাধ্যমে
অর্থ পরিশোধ করত। যৌন উত্তেজক
ওষুধ বিক্রিতে আরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের
শনাক্ত, বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ডলারের উৎস খুঁজে বের
করা, অর্থ লেনদেনের বণ্টন
প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়া, চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত
ও গ্রেপ্তারের জন্য তাদের রিমান্ডে
নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।’ অন্যদিকে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকুনজ্জামান বলেন,
‘আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন প্রার্থনা
করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে।
শুনানি শেষে আদালত দুই
আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে
পাঠিয়েছে।’
গত ২৩ এপ্রিল বিলাল
হোসেন নামের এক ব্যক্তি সাইবার
নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘আসামিরা
দীর্ঘদিন ধরে সুপরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল
জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল। তারা ইসলামি বক্তা
মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিপফেইক প্রযুক্তির
সাহায্যে তার চেহারা ও
কণ্ঠ হুবহু নকল করত। পরে
সেই ভুয়া ভিডিওতে আজহারীর
কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ইউরোসিন’ নামে
একটি যৌন উত্তেজক ওষুধের
প্রচার চালানো হত।’
মামলার
এজাহারে আরও বলা হয়,
‘সাধারণ মানুষ আজহারীর কথায় বিশ্বাস করে
এসব পণ্যকে সত্য মনে করে
অর্ডার দিত। আসামিরা ‘আজহারী
শপ’, ‘ডক্টর সেবা’, ‘হালাল শপ’-সহ ২৪টির
বেশি ভুয়া ফেইসবুক পেইজ
এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসব ভিডিও বুস্ট
করে প্রচার চালাত। এরপর ‘পাঠাও’ ও ‘স্টিডফাস্ট’ কুরিয়ার
সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য
পাঠিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল
পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিত।’
এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত,
তা জানতেই এখন আসামিদের রিমান্ডে
জেরা করছে পুলিশ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ নকল করে ‘ডিপফেইক’ প্রযুক্তির সাহায্যে যৌন উত্তেজক পণ্যের রমরমা প্রতারণা ব্যবসার অভিযোগে আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানী ও চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের জালে বন্দি করে।
শুক্রবার
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ
তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের
রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
গ্রেপ্তাররা
হলেন: আব্দুর রহমান মানিক ওরফে রাহাত এবং
ফুরকান মিয়া। এর আগে গত
২৪ এপ্রিল এই চক্রের আরও
১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যারা
বর্তমানে কারাগারে আছেন। তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই শামিম হাসান
আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের
রিমান্ড আবেদন করেন।
আবেদনে
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আসামিরা এআই ও ডিপফেইক
প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল জালিয়াতি করে আসছিল। চক্রটি
দেশব্যাপী সক্রিয় এবং তারা ফেইসবুক
বিজ্ঞাপনের জন্য ডলারের মাধ্যমে
অর্থ পরিশোধ করত। যৌন উত্তেজক
ওষুধ বিক্রিতে আরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের
শনাক্ত, বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ডলারের উৎস খুঁজে বের
করা, অর্থ লেনদেনের বণ্টন
প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়া, চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত
ও গ্রেপ্তারের জন্য তাদের রিমান্ডে
নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।’ অন্যদিকে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকুনজ্জামান বলেন,
‘আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন প্রার্থনা
করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে।
শুনানি শেষে আদালত দুই
আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে
পাঠিয়েছে।’
গত ২৩ এপ্রিল বিলাল
হোসেন নামের এক ব্যক্তি সাইবার
নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘আসামিরা
দীর্ঘদিন ধরে সুপরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল
জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল। তারা ইসলামি বক্তা
মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিপফেইক প্রযুক্তির
সাহায্যে তার চেহারা ও
কণ্ঠ হুবহু নকল করত। পরে
সেই ভুয়া ভিডিওতে আজহারীর
কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ইউরোসিন’ নামে
একটি যৌন উত্তেজক ওষুধের
প্রচার চালানো হত।’
মামলার
এজাহারে আরও বলা হয়,
‘সাধারণ মানুষ আজহারীর কথায় বিশ্বাস করে
এসব পণ্যকে সত্য মনে করে
অর্ডার দিত। আসামিরা ‘আজহারী
শপ’, ‘ডক্টর সেবা’, ‘হালাল শপ’-সহ ২৪টির
বেশি ভুয়া ফেইসবুক পেইজ
এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসব ভিডিও বুস্ট
করে প্রচার চালাত। এরপর ‘পাঠাও’ ও ‘স্টিডফাস্ট’ কুরিয়ার
সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য
পাঠিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল
পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিত।’
এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত,
তা জানতেই এখন আসামিদের রিমান্ডে
জেরা করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন