ঢাকার চারপাশের চক্রাকার নৌপথে সাধারণ নগরবাসীর যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক বিনোদন ও পর্যটনের বিকাশে আবারও ওয়াটার বাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এবার এটি সরকারিভাবে নয়, পরিচালিত হবে বেসরকারি উদ্যোগে।
রবিবার
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
সাথে আলাপকালে এসব তথ্য নিশ্চিত
করেন সড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী
শেখ রবিউল আলম।
সংবাদ
সম্মেলনে নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে
প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ধাপে ধাপে
চক্রাকার নৌপথে এই সেবা চালুর
চেষ্টা করা হবে। নদীপথের
বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি
বলেন, "আশুলিয়া থেকে সদরঘাট হয়ে
নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত নদীপথের একটি অংশ যাত্রীবান্ধব।
তবে অন্য অংশে এখনো
বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। দেশের মানুষ যেখানে সড়কপথে দেড় থেকে দুই
ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেখানে আড়াই থেকে তিন
ঘণ্টা সময় নিয়ে নদীপথে
যেতে আগ্রহী হন না। ফলে
যাত্রী সংকট তৈরি হয়।"
বিআইডব্লিউটিসি-র বিগত দিনের
ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে
শেখ রবিউল আলম বলেন, "আগে
বিআইডব্লিউটিসি ওয়াটার বাস পরিচালনা করেছিল।
কিন্তু যাত্রী স্বল্পতা, নদীদূষণ এবং পরিচালন ব্যয়ের
কারণে গত ১০ বছরে
সংস্থাটির প্রায় ৫৭ কোটি টাকা
লোকসান হয়। ফলে তারা
সেবা চালিয়ে যেতে পারেনি।"
তবে
এবার কিছু বেসরকারি উদ্যোক্তা
আগ্রহ দেখিয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের লক্ষ্য শুধু যাত্রী পরিবহন
নয়, বরং নদীকেন্দ্রিক পর্যটন
ও বিনোদনের সম্ভাবনাকেও কাজে লাগানো।
প্রকল্পটির
সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের
কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
"নদীদূষণ বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নদীতে
দুর্গন্ধ, আবর্জনা ও দূষিত পরিবেশ
থাকলে মানুষ নদীপথে ভ্রমণে আগ্রহী হবে না।"
এছাড়া
টঙ্গীর রেলসেতুসহ বেশ কিছু নিচু
সেতুর কারণে চলাচলে বাধার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি
জানান, রেলসেতু উঁচু করা বাস্তবসম্মত
নয়, তাই যাত্রীদের বিকল্প
উপায়ে পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হতে পারে।
আগের
লোকসানের কারণ খতিয়ে দেখা
হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব সীমাবদ্ধতা দূর
করেই খুব দ্রুত ঢাকার
নৌপথে ওয়াটার বাস সেবা দৃশ্যমান
করা সম্ভব হবে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার চারপাশের চক্রাকার নৌপথে সাধারণ নগরবাসীর যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি নদীকেন্দ্রিক বিনোদন ও পর্যটনের বিকাশে আবারও ওয়াটার বাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এবার এটি সরকারিভাবে নয়, পরিচালিত হবে বেসরকারি উদ্যোগে।
রবিবার
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
সাথে আলাপকালে এসব তথ্য নিশ্চিত
করেন সড়ক ও নৌপরিবহনমন্ত্রী
শেখ রবিউল আলম।
সংবাদ
সম্মেলনে নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে
প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ধাপে ধাপে
চক্রাকার নৌপথে এই সেবা চালুর
চেষ্টা করা হবে। নদীপথের
বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি
বলেন, "আশুলিয়া থেকে সদরঘাট হয়ে
নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত নদীপথের একটি অংশ যাত্রীবান্ধব।
তবে অন্য অংশে এখনো
বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। দেশের মানুষ যেখানে সড়কপথে দেড় থেকে দুই
ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেখানে আড়াই থেকে তিন
ঘণ্টা সময় নিয়ে নদীপথে
যেতে আগ্রহী হন না। ফলে
যাত্রী সংকট তৈরি হয়।"
বিআইডব্লিউটিসি-র বিগত দিনের
ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে
শেখ রবিউল আলম বলেন, "আগে
বিআইডব্লিউটিসি ওয়াটার বাস পরিচালনা করেছিল।
কিন্তু যাত্রী স্বল্পতা, নদীদূষণ এবং পরিচালন ব্যয়ের
কারণে গত ১০ বছরে
সংস্থাটির প্রায় ৫৭ কোটি টাকা
লোকসান হয়। ফলে তারা
সেবা চালিয়ে যেতে পারেনি।"
তবে
এবার কিছু বেসরকারি উদ্যোক্তা
আগ্রহ দেখিয়েছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের লক্ষ্য শুধু যাত্রী পরিবহন
নয়, বরং নদীকেন্দ্রিক পর্যটন
ও বিনোদনের সম্ভাবনাকেও কাজে লাগানো।
প্রকল্পটির
সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের
কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
"নদীদূষণ বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নদীতে
দুর্গন্ধ, আবর্জনা ও দূষিত পরিবেশ
থাকলে মানুষ নদীপথে ভ্রমণে আগ্রহী হবে না।"
এছাড়া
টঙ্গীর রেলসেতুসহ বেশ কিছু নিচু
সেতুর কারণে চলাচলে বাধার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি
জানান, রেলসেতু উঁচু করা বাস্তবসম্মত
নয়, তাই যাত্রীদের বিকল্প
উপায়ে পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হতে পারে।
আগের
লোকসানের কারণ খতিয়ে দেখা
হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব সীমাবদ্ধতা দূর
করেই খুব দ্রুত ঢাকার
নৌপথে ওয়াটার বাস সেবা দৃশ্যমান
করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন