সংবাদ

‘অভিযাত্রী এক্সপ্রেস’ : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য সুখবর


প্রতিনিধি, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)
প্রতিনিধি, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)
প্রকাশ: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:২১ পিএম

‘অভিযাত্রী এক্সপ্রেস’ : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য সুখবর
ছবি : সংবাদ

১০ আগস্ট থেকে পদ্মা সেতু রেলপথে চালু হচ্ছে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ‘অভিযাত্রী এক্সপ্রেস’। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য এটি নতুন যোগাযোগের দুয়ার খুললেও রেলপথটির নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত দুর্বলতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। সিগন্যালিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রাংশ চুরি, মাওয়া-শ্রীনগর-নিমতলা এলাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং ম্যানুয়াল পদ্ধতিনির্ভর পরিচালনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, আধুনিক ইলেকট্রনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় আপাতত স্টেশন মাস্টারদের নির্দেশনায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেই ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হলেও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা সুবিধা পুরোপুরি নিশ্চিত হচ্ছে না। সিগন্যালিং ব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ইতিমধ্যে চুরি হয়েছে, যা পুনঃস্থাপনের কাজ চলমান থাকলেও পুরো ব্যবস্থা সচল হতে আরও সময় লাগবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর থেকে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে প্রায় সোয়া চার ঘণ্টায় গোপালগঞ্জ পৌঁছাবে, আর ফেরার পথে গোপালগঞ্জ থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। পথে এটি কেরানীগঞ্জ, মাওয়া, শ্রীনগর, নিমতলা, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও কাশিয়ানী স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল কাজী মো. মাসউদুর রহমান বলেন, সিগন্যালিং ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ চলছে এবং চুরি হওয়া যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনসহ নিরাপত্তা জোরদারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তবে যন্ত্রাংশ চুরি পুরোপুরি বন্ধ করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

গত দুই বছরে পদ্মা সেতু রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত পারাপার ও জনসচেতনতার অভাবে ঝুঁকি বাড়ছে। রেলওয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, সিগন্যালিং ব্যবস্থা শতভাগ চালু ও জনসচেতনতা না বাড়লে নতুন ট্রেন চালু হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কমবে না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬


‘অভিযাত্রী এক্সপ্রেস’ : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য সুখবর

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

১০ আগস্ট থেকে পদ্মা সেতু রেলপথে চালু হচ্ছে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ‘অভিযাত্রী এক্সপ্রেস’। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য এটি নতুন যোগাযোগের দুয়ার খুললেও রেলপথটির নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত দুর্বলতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। সিগন্যালিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রাংশ চুরি, মাওয়া-শ্রীনগর-নিমতলা এলাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং ম্যানুয়াল পদ্ধতিনির্ভর পরিচালনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, আধুনিক ইলেকট্রনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় আপাতত স্টেশন মাস্টারদের নির্দেশনায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেই ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হলেও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা সুবিধা পুরোপুরি নিশ্চিত হচ্ছে না। সিগন্যালিং ব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ইতিমধ্যে চুরি হয়েছে, যা পুনঃস্থাপনের কাজ চলমান থাকলেও পুরো ব্যবস্থা সচল হতে আরও সময় লাগবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর থেকে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে প্রায় সোয়া চার ঘণ্টায় গোপালগঞ্জ পৌঁছাবে, আর ফেরার পথে গোপালগঞ্জ থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। পথে এটি কেরানীগঞ্জ, মাওয়া, শ্রীনগর, নিমতলা, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও কাশিয়ানী স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল কাজী মো. মাসউদুর রহমান বলেন, সিগন্যালিং ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ চলছে এবং চুরি হওয়া যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনসহ নিরাপত্তা জোরদারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তবে যন্ত্রাংশ চুরি পুরোপুরি বন্ধ করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

গত দুই বছরে পদ্মা সেতু রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত পারাপার ও জনসচেতনতার অভাবে ঝুঁকি বাড়ছে। রেলওয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, সিগন্যালিং ব্যবস্থা শতভাগ চালু ও জনসচেতনতা না বাড়লে নতুন ট্রেন চালু হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কমবে না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত