মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এক ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় তিন দেশ চুক্তিটি দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চুক্তি সইয়ের পাশাপাশি জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাসহ সামগ্রিক বিষয় স্থান পাবে।
পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের এই ঐতিহাসিক সফর সম্পর্কে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, "উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এই সফর হলেও এর গুরুত্ব কেবল সাময়িক সংকট মোকাবিলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক সহযোগিতার অংশ।" বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের প্রভাবে পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের বাণিজ্য পথগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান ও তুরস্ক পৃথক কূটনৈতিক মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালে সৌদি আরব ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছিল। মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তানের সাথে তুর্কি সামরিক প্রযুক্তি এবং সৌদি আরবের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের এই নতুন ত্রিমাত্রিক জোট মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিতে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতে এক ঐতিহাসিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় সামরিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় তিন দেশ চুক্তিটি দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চুক্তি সইয়ের পাশাপাশি জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাসহ সামগ্রিক বিষয় স্থান পাবে।
পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের এই ঐতিহাসিক সফর সম্পর্কে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, "উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এই সফর হলেও এর গুরুত্ব কেবল সাময়িক সংকট মোকাবিলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক সহযোগিতার অংশ।" বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের প্রভাবে পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের বাণিজ্য পথগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান ও তুরস্ক পৃথক কূটনৈতিক মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালে সৌদি আরব ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছিল। মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তানের সাথে তুর্কি সামরিক প্রযুক্তি এবং সৌদি আরবের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের এই নতুন ত্রিমাত্রিক জোট মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন