উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার গান শুনে বেড়ে উঠেছেন এই প্রজন্মের কণ্ঠশিল্পী জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল একবার অন্তত প্রিয় শিল্পীর সরাসরি গান শোনা এবং সামনাসামনি দেখা করার। দীর্ঘদিনের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে সম্প্রতি।
গত ২৪ জুলাই বাংলাদেশ
শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় রুনা লায়লার প্রথম একক সঙ্গীত সন্ধ্যা। একই অনুষ্ঠানে
তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননাও প্রদান করা হয়। দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহে টিকিটের চাহিদা ছিল
তুঙ্গে। অনেকেই টিকিট না পেয়ে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার সুযোগ পাননি।
তবে নানা চেষ্টার
পর শেষ পর্যন্ত সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সক্ষম হন জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়। মঞ্চে
রুনা লায়লার একের পর এক পরিবেশনা উপভোগ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। টানা
১১টি গান শুনে কখনো চোখের জলও ধরে রাখতে পারেননি।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিক
অভি মঈনুদ্দীনের সহযোগিতায় রুনা লায়লার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান জয়। প্রিয় শিল্পীর
কাছ থেকে অটোগ্রাফ নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি তুলেও নিজের বহুদিনের
স্বপ্ন পূরণ করেন।
সেই অনুভূতির কথা
জানিয়ে জয় বলেন, “রুনা লায়লা ম্যাডামের একক সঙ্গীত সন্ধ্যার এক সপ্তাহেরও বেশি সময়
পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো সবকিছু আমার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। তাঁর সরাসরি গান
শোনা, কাছ থেকে দেখা, অটোগ্রাফ নেওয়া—প্রতিটি মুহূর্তই আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান
স্মৃতি হয়ে থাকবে। যখন তিনি অটোগ্রাফ দেওয়ার আগে আমার নাম জানতে চাইলেন, সেই অনুভূতি
ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মহান এই শিল্পী সুস্থ থাকুন, দীর্ঘদিন আমাদের মাঝে থাকুন।
তাঁর আরও অনেক লাইভ পরিবেশনা দেখার সৌভাগ্য যেন হয়—এটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।”
বর্তমানে রুনা লায়লা
অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছেন। আগামী ৮ আগস্ট মেলবোর্নে একটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার পর ১২
আগস্ট তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
প্রিয় শিল্পীর সঙ্গে
এই সাক্ষাৎ ও স্মরণীয় মুহূর্ত জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়ের শিল্পীজীবনে এক অনন্য প্রাপ্তি
হয়ে থাকবে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার গান শুনে বেড়ে উঠেছেন এই প্রজন্মের কণ্ঠশিল্পী জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল একবার অন্তত প্রিয় শিল্পীর সরাসরি গান শোনা এবং সামনাসামনি দেখা করার। দীর্ঘদিনের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে সম্প্রতি।
গত ২৪ জুলাই বাংলাদেশ
শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় রুনা লায়লার প্রথম একক সঙ্গীত সন্ধ্যা। একই অনুষ্ঠানে
তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননাও প্রদান করা হয়। দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহে টিকিটের চাহিদা ছিল
তুঙ্গে। অনেকেই টিকিট না পেয়ে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার সুযোগ পাননি।
তবে নানা চেষ্টার
পর শেষ পর্যন্ত সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সক্ষম হন জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়। মঞ্চে
রুনা লায়লার একের পর এক পরিবেশনা উপভোগ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। টানা
১১টি গান শুনে কখনো চোখের জলও ধরে রাখতে পারেননি।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিক
অভি মঈনুদ্দীনের সহযোগিতায় রুনা লায়লার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান জয়। প্রিয় শিল্পীর
কাছ থেকে অটোগ্রাফ নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি তুলেও নিজের বহুদিনের
স্বপ্ন পূরণ করেন।
সেই অনুভূতির কথা
জানিয়ে জয় বলেন, “রুনা লায়লা ম্যাডামের একক সঙ্গীত সন্ধ্যার এক সপ্তাহেরও বেশি সময়
পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো সবকিছু আমার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। তাঁর সরাসরি গান
শোনা, কাছ থেকে দেখা, অটোগ্রাফ নেওয়া—প্রতিটি মুহূর্তই আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান
স্মৃতি হয়ে থাকবে। যখন তিনি অটোগ্রাফ দেওয়ার আগে আমার নাম জানতে চাইলেন, সেই অনুভূতি
ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মহান এই শিল্পী সুস্থ থাকুন, দীর্ঘদিন আমাদের মাঝে থাকুন।
তাঁর আরও অনেক লাইভ পরিবেশনা দেখার সৌভাগ্য যেন হয়—এটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।”
বর্তমানে রুনা লায়লা
অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছেন। আগামী ৮ আগস্ট মেলবোর্নে একটি কনসার্টে অংশ নেওয়ার পর ১২
আগস্ট তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
প্রিয় শিল্পীর সঙ্গে
এই সাক্ষাৎ ও স্মরণীয় মুহূর্ত জোবায়ের জাহাঙ্গীর জয়ের শিল্পীজীবনে এক অনন্য প্রাপ্তি
হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন