কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে এর পরিচালনা কার্যক্রম চলায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা
ও প্রকৌশলীদের দক্ষতা এবং সক্ষমতার ভূয়সী
প্রশংসা করে তাদের সার্বিক
উৎসাহ দেন। এ সময়
প্রকল্প প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের
চারাও রোপণ করেন তিনি।
জ্বালানি
নিরাপত্তা ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনার নির্দেশ
প্রকল্পের
প্রশাসনিক ভবনে দীর্ঘ ব্রিফিংকালে
দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন
নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন সরকারপ্রধান। বর্তমান
বিদ্যুৎ অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার ও জবাবদিহি নিশ্চিত
করার ওপর গুরুত্বারোপ করে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই
সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো
পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি
স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।"
মাতারবাড়ীকে
অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়
পরিদর্শনকালে
প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
প্রকল্প, এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প, নতুন রিফাইনারি, পেট্রোকেমিক্যাল
এলাকা এবং কোল জেটিসহ
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
গভীর
সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও কয়লা পরিবহনের
সমন্বিত ব্যবস্থাপনা দেখে তিনি বলেন,
মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি
ও গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিকল্পিত
ব্যবহার দেশীয় শিল্পায়ন ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে
দ্রুত গতিশীল করবে।
পরিদর্শনের
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে এর পরিচালনা কার্যক্রম চলায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা
ও প্রকৌশলীদের দক্ষতা এবং সক্ষমতার ভূয়সী
প্রশংসা করে তাদের সার্বিক
উৎসাহ দেন। এ সময়
প্রকল্প প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছের
চারাও রোপণ করেন তিনি।
জ্বালানি
নিরাপত্তা ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনার নির্দেশ
প্রকল্পের
প্রশাসনিক ভবনে দীর্ঘ ব্রিফিংকালে
দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন
নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন সরকারপ্রধান। বর্তমান
বিদ্যুৎ অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার ও জবাবদিহি নিশ্চিত
করার ওপর গুরুত্বারোপ করে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই
সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো
পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি
স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।"
মাতারবাড়ীকে
অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়
পরিদর্শনকালে
প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
প্রকল্প, এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প, নতুন রিফাইনারি, পেট্রোকেমিক্যাল
এলাকা এবং কোল জেটিসহ
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
গভীর
সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও কয়লা পরিবহনের
সমন্বিত ব্যবস্থাপনা দেখে তিনি বলেন,
মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি
ও গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিকল্পিত
ব্যবহার দেশীয় শিল্পায়ন ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে
দ্রুত গতিশীল করবে।
পরিদর্শনের
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন