সংবাদ

একজনও পাস করেনি ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০২ এএম

একজনও পাস করেনি ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠানই সবচেয়ে বেশি, ২২৬টি। এছাড়া নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিদেশের একটি কেন্দ্রেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে এবার ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে, যা গত বছর ছিল ৯৮৪টি।

এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের গড় হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কেন এত বাড়ল, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফলাফল প্রকাশের পর থেকে পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করছেন। যারা ফলাফলে সন্তুষ্ট নন, তারা ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬


একজনও পাস করেনি ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠানই সবচেয়ে বেশি, ২২৬টি। এছাড়া নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিদেশের একটি কেন্দ্রেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে এবার ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে, যা গত বছর ছিল ৯৮৪টি।

এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের গড় হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কেন এত বাড়ল, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফলাফল প্রকাশের পর থেকে পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করছেন। যারা ফলাফলে সন্তুষ্ট নন, তারা ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত