সংবাদ

ক্ষেতে দিনমজুরি করেও পলাশের জিপিএ-৫


হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম

ক্ষেতে দিনমজুরি করেও পলাশের জিপিএ-৫
ছবি : সংবাদ

অভাবের তাড়নায় সপ্তম শ্রেণিতেই যখন পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন থেকেই বাবার সঙ্গে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ শুরু করেন পলাশ চন্দ্র রায়। হাড়ভাঙা খাটুনি আর চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও তিনি দমে যাননি। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন এই মেধাবী তরুণ।

পলাশের বাবা সুধাংশু চন্দ্র রায় একজন ভূমিহীন দিনমজুর। ভিটেমাটির মাত্র ৫ শতক জমিতে চার ভাইয়ের সঙ্গে ঠাসাঠাসি করে তাদের বসবাস। কাজ থাকলে খাবার জোটে, না থাকলে অনাহারে কাটে দিন। পলাশ জানান, দিনমজুরি করে জমানো টাকা দিয়েই তিনি নিজের পড়াশোনার খরচ মিটিয়েছেন। তবে এখন অভাবের কারণে তার উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বড়ভিটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘পলাশ অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তান। তার এই সাফল্য অন্যদের জন্য প্রেরণা। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তার উচ্চশিক্ষার পথ সুগম হবে।’ ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় থাকা পলাশের মা পূর্ণিমা রানীও ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


ক্ষেতে দিনমজুরি করেও পলাশের জিপিএ-৫

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অভাবের তাড়নায় সপ্তম শ্রেণিতেই যখন পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন থেকেই বাবার সঙ্গে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ শুরু করেন পলাশ চন্দ্র রায়। হাড়ভাঙা খাটুনি আর চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও তিনি দমে যাননি। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন এই মেধাবী তরুণ।

পলাশের বাবা সুধাংশু চন্দ্র রায় একজন ভূমিহীন দিনমজুর। ভিটেমাটির মাত্র ৫ শতক জমিতে চার ভাইয়ের সঙ্গে ঠাসাঠাসি করে তাদের বসবাস। কাজ থাকলে খাবার জোটে, না থাকলে অনাহারে কাটে দিন। পলাশ জানান, দিনমজুরি করে জমানো টাকা দিয়েই তিনি নিজের পড়াশোনার খরচ মিটিয়েছেন। তবে এখন অভাবের কারণে তার উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বড়ভিটা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘পলাশ অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তান। তার এই সাফল্য অন্যদের জন্য প্রেরণা। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তার উচ্চশিক্ষার পথ সুগম হবে।’ ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় থাকা পলাশের মা পূর্ণিমা রানীও ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত