সংবাদ

ভবন জরাজীর্ণ, দেড় বছর ধরে ভাড়া বাড়িতে চলছে ক্লিনিক


জেলা বার্তা পরিবেশক, নওগাঁ
জেলা বার্তা পরিবেশক, নওগাঁ
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম

ভবন জরাজীর্ণ, দেড় বছর ধরে ভাড়া বাড়িতে চলছে ক্লিনিক
ছবি : সংবাদ

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিকটি এখন ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে আছে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে, বের হয়ে এসেছে ইট, আর বড় বড় ফাটলে ভবনটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। গত দেড় বছর ধরে নিজস্ব ভবনে সেবা দিতে না পেরে স্থানীয় এক ব্যক্তির ভাড়া বাড়িতে অস্থায়ীভাবে চলছে এই ক্লিনিকের কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে এবং ভেতরে আবর্জনা ও ধ্বংসাবশেষ জমে আছে। দেড় বছর আগে ঝুঁকি এড়াতে স্থানীয় সেফাত হোসেনের বাড়িতে ক্লিনিকটি সরিয়ে নেওয়া হয়। নিজস্ব ভবন না থাকায় বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের চিকিৎসাসেবা নিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাগর ও মোরশেদা জানান, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে গ্রামীণ এই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।

ক্লিনিকের দায়িত্বরত সিএইচসিপি শহিদুল জানান, ভাড়া বাড়িতে সংকীর্ণ পরিসরে কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খান। তিনি জানান, উপজেলার সাতটি জরাজীর্ণ ক্লিনিকের মধ্যে খাগড়া ক্লিনিকটি পুনর্নির্মাণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। চলতি অর্থবছরেই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


ভবন জরাজীর্ণ, দেড় বছর ধরে ভাড়া বাড়িতে চলছে ক্লিনিক

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিকটি এখন ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে আছে। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে, বের হয়ে এসেছে ইট, আর বড় বড় ফাটলে ভবনটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। গত দেড় বছর ধরে নিজস্ব ভবনে সেবা দিতে না পেরে স্থানীয় এক ব্যক্তির ভাড়া বাড়িতে অস্থায়ীভাবে চলছে এই ক্লিনিকের কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে এবং ভেতরে আবর্জনা ও ধ্বংসাবশেষ জমে আছে। দেড় বছর আগে ঝুঁকি এড়াতে স্থানীয় সেফাত হোসেনের বাড়িতে ক্লিনিকটি সরিয়ে নেওয়া হয়। নিজস্ব ভবন না থাকায় বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের চিকিৎসাসেবা নিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাগর ও মোরশেদা জানান, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে গ্রামীণ এই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।

ক্লিনিকের দায়িত্বরত সিএইচসিপি শহিদুল জানান, ভাড়া বাড়িতে সংকীর্ণ পরিসরে কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খান। তিনি জানান, উপজেলার সাতটি জরাজীর্ণ ক্লিনিকের মধ্যে খাগড়া ক্লিনিকটি পুনর্নির্মাণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। চলতি অর্থবছরেই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত