সংবাদ

সাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ উচ্ছেদে যৌথ অভিযান, আটক ২৮


প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

সাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ উচ্ছেদে যৌথ অভিযান, আটক ২৮
ছবি : সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্যবাহী জাহাজে অবৈধভাবে পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা ‘ভাসমান গুদাম’ উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (১২ আগস্ট) বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৪ জনকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের প্রধান সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোনো অসাধু চক্র যাতে পণ্যবাহী জাহাজকে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, পণ্যবাহী জাহাজ বন্দর ত্যাগের পর নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য খালাসের বিধান যথাযথভাবে পালন হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

যৌথ অভিযানে কর্ণফুলী চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় বিভিন্ন ট্রলারে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় মূল নেভিগেশনাল চ্যানেলে অবৈধভাবে জাল বসিয়ে জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে ২৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও ভিএইচএফ চ্যানেলের মাধ্যমে নাবিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি পাইলট ভেসেল, নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ও দুটি বোট এবং কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ ও দুটি বোট অংশ নেয়। জাতীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌপথের এই বিশেষ নজরদারি ও টহল অব্যাহত থাকবে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


সাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ উচ্ছেদে যৌথ অভিযান, আটক ২৮

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্যবাহী জাহাজে অবৈধভাবে পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা ‘ভাসমান গুদাম’ উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। বুধবার (১২ আগস্ট) বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৪ জনকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের প্রধান সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোনো অসাধু চক্র যাতে পণ্যবাহী জাহাজকে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, পণ্যবাহী জাহাজ বন্দর ত্যাগের পর নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য খালাসের বিধান যথাযথভাবে পালন হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

যৌথ অভিযানে কর্ণফুলী চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় বিভিন্ন ট্রলারে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় মূল নেভিগেশনাল চ্যানেলে অবৈধভাবে জাল বসিয়ে জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে ২৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও ভিএইচএফ চ্যানেলের মাধ্যমে নাবিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি পাইলট ভেসেল, নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ও দুটি বোট এবং কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ ও দুটি বোট অংশ নেয়। জাতীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌপথের এই বিশেষ নজরদারি ও টহল অব্যাহত থাকবে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত