সংবাদ

গোলাগুলির সেই ঘটনায় ফেঁসে গেলেন বিএনপি নেতা


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

গোলাগুলির সেই ঘটনায় ফেঁসে গেলেন বিএনপি নেতা
লিয়াকত আলী সিকদার। ছবি : সংবাদ

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এলাকায় গোলাগুলি ও অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক ইরফানুল হক চৌধুরী তা নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পশ্চিম গেটে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে লিয়াকত আলীর চাচাতো ভাই মঈন উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হন। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ জিয়াউল হক নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

ঘটনার পর লিয়াকত আলী সিকদার দাবি করেছিলেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে আসে, লিয়াকত আলী নিজেই এই গোলাগুলির নাটক সাজিয়েছিলেন। এরপর কক্সবাজার সদর মডেল থানা-পুলিশ লিয়াকত আলীসহ তার সহযোগীদের আসামি করে মামলা করে।

ওই ঘটনায় আটক জিয়াউল হকের কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও ছয়টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছিল। তিনি রামু উপজেলার কালিরছড়া এলাকার বাসিন্দা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


গোলাগুলির সেই ঘটনায় ফেঁসে গেলেন বিএনপি নেতা

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এলাকায় গোলাগুলি ও অস্ত্র উদ্ধারের মামলায় ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক ইরফানুল হক চৌধুরী তা নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পশ্চিম গেটে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে লিয়াকত আলীর চাচাতো ভাই মঈন উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হন। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ জিয়াউল হক নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

ঘটনার পর লিয়াকত আলী সিকদার দাবি করেছিলেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে আসে, লিয়াকত আলী নিজেই এই গোলাগুলির নাটক সাজিয়েছিলেন। এরপর কক্সবাজার সদর মডেল থানা-পুলিশ লিয়াকত আলীসহ তার সহযোগীদের আসামি করে মামলা করে।

ওই ঘটনায় আটক জিয়াউল হকের কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও ছয়টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছিল। তিনি রামু উপজেলার কালিরছড়া এলাকার বাসিন্দা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত