সংবাদ

পাঁচ আগস্ট থেকে দক্ষিণ এশিয়ার তরুণরা কী বার্তা নিয়েছে


রাজীব চক্রবর্তী
রাজীব চক্রবর্তী
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম

পাঁচ আগস্ট থেকে দক্ষিণ এশিয়ার তরুণরা কী বার্তা নিয়েছে

১.

বাংলাদেশের ৫ আগস্ট ধাঁচের প্রায় এক মাসের মতো একই আন্দোলনে সর্বশেষ চিত্র দেখলাম ভারতে। দেশটির সরকার কালক্ষেপণ বেশি না করে ধীরে ধীরে সিনিয়র মন্ত্রীদের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আন্দোলনের মাঠে গিয়ে দেখা করেছেন। সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তাও ছিলেন। অর্থাৎ ভারত সরকার যে ককরোচ পার্টির আন্দোলনকে আমলে নিচ্ছেন তার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু কোনো বেফাঁস বা ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য না করে শুধু আন্দোলনের গতিবেগ বোঝার চেষ্টা করেছেন। আর যেই শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে এতকিছু, তিনি পুরো আন্দোলনে বোবার ভূমিকায় ছিলেন। ছাত্ররা সংসদ ভবনের ব্যরিকেড ভাঙতে গেলেই শুধু পুলিশ বল প্রয়োগ করে অনেককে আহত করে।

অথচ ৫ আগস্ট আন্দোলনে বাংলাদেশে তৎকালীন সরকার ছাত্রদের সঙ্গে আলাপ করতে আন্দোলন স্থলে যায়নি এবং বেশি মাত্রাই বল প্রয়োগ করেছে। প্রচুর প্রাণহানি ঘটেছে সাড়া দেশে। আওয়ামী লীগ যেহেতু রাষ্ট্র ক্ষমতায়, তাই সব দায় সরকারের। এছাড়া সুষ্ঠু ও সব দলকে নিয়ে নির্বাচন না করার অভিযোগ ও ছিল। সব মিলিয়ে সাধারণ জনমতের বিস্ফোরণ ঘটে। এরমধ্যে ছিল দায়িত্বশীলদের বেহিসাবি মন্তব্য। যেটা ভারতের বর্তমান সরকার একেবারেই করেনি। কে বলতে পারে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তারা কিছু অনুধাবন করতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত দেশটির শিক্ষামন্ত্রী পদত্যগ করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী যোগ্যদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি করতে বাধ্য হয়েছে। ব্যস। মূল আন্দোলন স্থগিত হয়েছে। তবে ককরোচদের অভিযোগ ধরপাকড় এখনও চলছে।

২.

দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার ফলে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যেমন আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার বিভাজনের যে সীমারেখা, তা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের ভারসাম্য এবং নিয়ন্ত্রণে চিড় ধরে। একই অবস্থা শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও ঘটেছে। একভাই প্রেসিডেন্ট আরেক ভাই প্রধানমন্ত্রী। শ্রীলঙ্কার মতো অধিক শিক্ষার হার এবং উচ্চ মধ্যমআয়ের দেশের জনগণ কীভাবে এই প্রথা মেনে নিয়েছিলÑ তা আসলেই বিস্ময়। মনে হয়, কম জনসংখ্যার দেশগুলোতে রাষ্ট্রের গুটিকয়েকের বেহিসাবি ক্ষমতার অপব্যবহারকে জনবিস্ফোরণে রূপান্তর করার সম্ভাবনা কম। অথচ অধিক জনসংখ্যার দেশকে এখন আর রাষ্ট্রের বোঝা মনে না করে বরং একটি দেশের কর্মক্ষম তরুণ শক্তিকে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতার কাজে লাগিয়ে দেশকে স্বাবলম্বী করার সুযোগকে কাজে লাগানো হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা হলো তরুণদের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রধান কাজ। এখন গবেষণা বলছে অধিক জনশক্তির দেশ শুধু ভোগবাদী দেশ না হয়ে অধিক উৎপাদনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আবার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় শোষণকে দ্রুত প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যার প্রতিফলন প্রথমে বাংলাদেশ ও এখন ভারতে দেখা যাচ্ছে। নেপালেও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশিলতা ফিরে আসেনি।

ওই যে এতদিনের পুঁজিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে ঠিকই, তবে নির্বাহী বিভাগকে পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র এত বছর ধরে যে ব্যুরোক্রেসির দ্বারা পরিচালিত ছিল তার থেকে তো রাষ্ট্র মুক্তি পায়নি। যেমন বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রধান ব্যয় সংকোচনের নীতি হিসেবে সরকারি আমলাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ মাসিক ৫০,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৫,০০০ টাকা করার এক প্রজ্ঞাপন জারি করার পর জনপ্রশাসনসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা হয়।

৩.

এই এখনও লেখাপড়া শেষ না করা বেশিভাগ মধ্যবিত্ত (যদিও বা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার নামকরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় নেমেছিল), পরিবারের ছেলে, মেয়েদের কিন্তু বিপদ পদে পদে ছিল। প্রথমত, রাষ্ট্রীয় প্রথাগত রাজনৈতিক দলগুলোর খপ্পরে পড়ে যাওয়া যেটা বাংলাদেশের ৫ আগস্ট পরবর্তী হয়েছে এবং অনেক কেন্দ্রীও নারী নেত্রী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন থেকে হারিয়ে গেছেন বা তাদের সরিয়ে দেয়া সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ছিলÑ যা আন্দোলনের স্পিরিটকে ম্লান করেছে।  দ্বিতীয়ত, ছাত্রদের একদিকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা শেষ না হওয়া অন্যদিকে আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে চাকরি, বাকরিতে সমস্যার মুখোমুখি হওয়া, যা অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা-মায়ের স্বপ্নকে শেষ করবে।

তবে দুর্ভাগ্য তরুণদের, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যে আশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, অন্তর্বর্তী সরকার তার অনেক কিছুই পূরণ করতে পারেনি। ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, মবতন্ত্র, আইনের শাসনের অভাব তখন তীব্র ছিল। নেপালে আন্দোলনের ফসল হিসেবে ৩৫ বছরের বালেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তবে ভারতে ককরোচরা এখনও দল গঠনের ঘোষণা দেইনি। পাকিস্তানের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (যার ওপর তরুণ প্রজন্মের প্রভাব বেশি) মুক্তির ব্যাপারে বর্তমান সরকার ভাবছে বলে খবর ছড়িয়েছে। তাই বলা যায়, বৈষম্য, দুর্নীতি, স্বজন তোষণ ঠেকাতে দেশে দেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্ট বেঁচে আছে।

[লেখক : পরিচালক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র (সিডিআরসি)]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


পাঁচ আগস্ট থেকে দক্ষিণ এশিয়ার তরুণরা কী বার্তা নিয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

১.

বাংলাদেশের ৫ আগস্ট ধাঁচের প্রায় এক মাসের মতো একই আন্দোলনে সর্বশেষ চিত্র দেখলাম ভারতে। দেশটির সরকার কালক্ষেপণ বেশি না করে ধীরে ধীরে সিনিয়র মন্ত্রীদের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আন্দোলনের মাঠে গিয়ে দেখা করেছেন। সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তাও ছিলেন। অর্থাৎ ভারত সরকার যে ককরোচ পার্টির আন্দোলনকে আমলে নিচ্ছেন তার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু কোনো বেফাঁস বা ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য না করে শুধু আন্দোলনের গতিবেগ বোঝার চেষ্টা করেছেন। আর যেই শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে এতকিছু, তিনি পুরো আন্দোলনে বোবার ভূমিকায় ছিলেন। ছাত্ররা সংসদ ভবনের ব্যরিকেড ভাঙতে গেলেই শুধু পুলিশ বল প্রয়োগ করে অনেককে আহত করে।

অথচ ৫ আগস্ট আন্দোলনে বাংলাদেশে তৎকালীন সরকার ছাত্রদের সঙ্গে আলাপ করতে আন্দোলন স্থলে যায়নি এবং বেশি মাত্রাই বল প্রয়োগ করেছে। প্রচুর প্রাণহানি ঘটেছে সাড়া দেশে। আওয়ামী লীগ যেহেতু রাষ্ট্র ক্ষমতায়, তাই সব দায় সরকারের। এছাড়া সুষ্ঠু ও সব দলকে নিয়ে নির্বাচন না করার অভিযোগ ও ছিল। সব মিলিয়ে সাধারণ জনমতের বিস্ফোরণ ঘটে। এরমধ্যে ছিল দায়িত্বশীলদের বেহিসাবি মন্তব্য। যেটা ভারতের বর্তমান সরকার একেবারেই করেনি। কে বলতে পারে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তারা কিছু অনুধাবন করতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত দেশটির শিক্ষামন্ত্রী পদত্যগ করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী যোগ্যদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি করতে বাধ্য হয়েছে। ব্যস। মূল আন্দোলন স্থগিত হয়েছে। তবে ককরোচদের অভিযোগ ধরপাকড় এখনও চলছে।

২.

দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার ফলে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যেমন আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার বিভাজনের যে সীমারেখা, তা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের ভারসাম্য এবং নিয়ন্ত্রণে চিড় ধরে। একই অবস্থা শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও ঘটেছে। একভাই প্রেসিডেন্ট আরেক ভাই প্রধানমন্ত্রী। শ্রীলঙ্কার মতো অধিক শিক্ষার হার এবং উচ্চ মধ্যমআয়ের দেশের জনগণ কীভাবে এই প্রথা মেনে নিয়েছিলÑ তা আসলেই বিস্ময়। মনে হয়, কম জনসংখ্যার দেশগুলোতে রাষ্ট্রের গুটিকয়েকের বেহিসাবি ক্ষমতার অপব্যবহারকে জনবিস্ফোরণে রূপান্তর করার সম্ভাবনা কম। অথচ অধিক জনসংখ্যার দেশকে এখন আর রাষ্ট্রের বোঝা মনে না করে বরং একটি দেশের কর্মক্ষম তরুণ শক্তিকে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতার কাজে লাগিয়ে দেশকে স্বাবলম্বী করার সুযোগকে কাজে লাগানো হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা হলো তরুণদের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রধান কাজ। এখন গবেষণা বলছে অধিক জনশক্তির দেশ শুধু ভোগবাদী দেশ না হয়ে অধিক উৎপাদনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আবার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় শোষণকে দ্রুত প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যার প্রতিফলন প্রথমে বাংলাদেশ ও এখন ভারতে দেখা যাচ্ছে। নেপালেও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশিলতা ফিরে আসেনি।

ওই যে এতদিনের পুঁজিবাদী রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে ঠিকই, তবে নির্বাহী বিভাগকে পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র এত বছর ধরে যে ব্যুরোক্রেসির দ্বারা পরিচালিত ছিল তার থেকে তো রাষ্ট্র মুক্তি পায়নি। যেমন বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রধান ব্যয় সংকোচনের নীতি হিসেবে সরকারি আমলাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ মাসিক ৫০,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৫,০০০ টাকা করার এক প্রজ্ঞাপন জারি করার পর জনপ্রশাসনসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে সেই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা হয়।

৩.

এই এখনও লেখাপড়া শেষ না করা বেশিভাগ মধ্যবিত্ত (যদিও বা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার নামকরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় নেমেছিল), পরিবারের ছেলে, মেয়েদের কিন্তু বিপদ পদে পদে ছিল। প্রথমত, রাষ্ট্রীয় প্রথাগত রাজনৈতিক দলগুলোর খপ্পরে পড়ে যাওয়া যেটা বাংলাদেশের ৫ আগস্ট পরবর্তী হয়েছে এবং অনেক কেন্দ্রীও নারী নেত্রী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন থেকে হারিয়ে গেছেন বা তাদের সরিয়ে দেয়া সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ছিলÑ যা আন্দোলনের স্পিরিটকে ম্লান করেছে।  দ্বিতীয়ত, ছাত্রদের একদিকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা শেষ না হওয়া অন্যদিকে আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে চাকরি, বাকরিতে সমস্যার মুখোমুখি হওয়া, যা অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা-মায়ের স্বপ্নকে শেষ করবে।

তবে দুর্ভাগ্য তরুণদের, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা যে আশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, অন্তর্বর্তী সরকার তার অনেক কিছুই পূরণ করতে পারেনি। ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, মবতন্ত্র, আইনের শাসনের অভাব তখন তীব্র ছিল। নেপালে আন্দোলনের ফসল হিসেবে ৩৫ বছরের বালেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তবে ভারতে ককরোচরা এখনও দল গঠনের ঘোষণা দেইনি। পাকিস্তানের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (যার ওপর তরুণ প্রজন্মের প্রভাব বেশি) মুক্তির ব্যাপারে বর্তমান সরকার ভাবছে বলে খবর ছড়িয়েছে। তাই বলা যায়, বৈষম্য, দুর্নীতি, স্বজন তোষণ ঠেকাতে দেশে দেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্ট বেঁচে আছে।

[লেখক : পরিচালক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র (সিডিআরসি)]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত