নওগাঁর মহাদেবপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরের প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী চাষি। এই ঘটনায় শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে মহাদেবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সামসুল হকের সঙ্গে প্রতিবেশী কামরুল হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। সামসুলের খনন করা পুকুরের একটি অংশ দখলের চেষ্টা করছিলেন কামরুল। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চললে আদালত ওই জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। সামসুলের অভিযোগ, আদালতের আদেশ অমান্য করে কামরুল তাকে বারবার ক্ষতি করার হুমকি দিচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগী সামসুল হক বলেন, ১১ আগস্ট দুপুরে কামরুল তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেন। এর পরদিন থেকে পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ মরে ভেসে উঠতে শুরু করে। এতে তার অন্তত ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পুকুরের পানিতে মাঝারি আকারের অসংখ্য মরা মাছ ভেসে আছে। মাছের পাশাপাশি মরে আছে সাপ ও ব্যাঙও। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল হোসেন দাবি করেন, পুকুরের পাশে তার বাড়ির চারপাশের জঙ্গল পরিষ্কার করার জন্য তিনি বিষ প্রয়োগ করেছিলেন। তবে মাছ মারা যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, মাছ নিধনের ঘটনায় একটি জিডি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এটিকে এনজিআর (নন-গিনজানিবল রিপোর্ট) মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরের প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী চাষি। এই ঘটনায় শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে মহাদেবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের সামসুল হকের সঙ্গে প্রতিবেশী কামরুল হোসেনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। সামসুলের খনন করা পুকুরের একটি অংশ দখলের চেষ্টা করছিলেন কামরুল। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চললে আদালত ওই জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। সামসুলের অভিযোগ, আদালতের আদেশ অমান্য করে কামরুল তাকে বারবার ক্ষতি করার হুমকি দিচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগী সামসুল হক বলেন, ১১ আগস্ট দুপুরে কামরুল তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেন। এর পরদিন থেকে পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ মরে ভেসে উঠতে শুরু করে। এতে তার অন্তত ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পুকুরের পানিতে মাঝারি আকারের অসংখ্য মরা মাছ ভেসে আছে। মাছের পাশাপাশি মরে আছে সাপ ও ব্যাঙও। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল হোসেন দাবি করেন, পুকুরের পাশে তার বাড়ির চারপাশের জঙ্গল পরিষ্কার করার জন্য তিনি বিষ প্রয়োগ করেছিলেন। তবে মাছ মারা যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, মাছ নিধনের ঘটনায় একটি জিডি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এটিকে এনজিআর (নন-গিনজানিবল রিপোর্ট) মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন