মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গত দুই দিনে বসতঘর ও হাইল হাওর এলাকা থেকে বিশাল আকৃতির দুটি অজগর ও একটি তক্ষক উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এসব বন্যপ্রাণী অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌর এলাকার রূপসপুরে রূপন পালের বাড়ির ঠাকুরঘরে একটি তক্ষক ঢুকে পড়ে। তক্ষকটি দেখে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে বন সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দেন। পরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও কর্মী রাজদীপ দেব বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করেন।
এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে হাইল হাওর এলাকায় ধানখেতের পাশে মাছ ধরার খাঁচায় (খাইঞ্জা) একটি বিশাল অজগর আটকা পড়ে। স্থানীয় কয়েকজন সাপটিকে মারার চেষ্টা করলে মঞ্জু মিয়া নামের এক ব্যক্তি তাতে বাধা দেন এবং বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। পরে ফাউন্ডেশনের কর্মীরা গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। সাপটিকে বাঁচাতে সাহসী ভূমিকা রাখায় মঞ্জু মিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে শ্রীমঙ্গল শহরের ৫ নম্বর পুল এলাকার রুশন আলীর বসতঘরের সিলিং থেকে ১২ ফুট লম্বা একটি বিশাল অজগর উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা ঘুমানোর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। খবর পেয়ে রাতেই ফাউন্ডেশনের সদস্যরা সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।
উদ্ধার করা তিনটি বন্যপ্রাণীই শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্রুতই এগুলোকে বনে অবমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গত দুই দিনে বসতঘর ও হাইল হাওর এলাকা থেকে বিশাল আকৃতির দুটি অজগর ও একটি তক্ষক উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এসব বন্যপ্রাণী অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌর এলাকার রূপসপুরে রূপন পালের বাড়ির ঠাকুরঘরে একটি তক্ষক ঢুকে পড়ে। তক্ষকটি দেখে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে বন সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দেন। পরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও কর্মী রাজদীপ দেব বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করেন।
এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে হাইল হাওর এলাকায় ধানখেতের পাশে মাছ ধরার খাঁচায় (খাইঞ্জা) একটি বিশাল অজগর আটকা পড়ে। স্থানীয় কয়েকজন সাপটিকে মারার চেষ্টা করলে মঞ্জু মিয়া নামের এক ব্যক্তি তাতে বাধা দেন এবং বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। পরে ফাউন্ডেশনের কর্মীরা গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। সাপটিকে বাঁচাতে সাহসী ভূমিকা রাখায় মঞ্জু মিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে শ্রীমঙ্গল শহরের ৫ নম্বর পুল এলাকার রুশন আলীর বসতঘরের সিলিং থেকে ১২ ফুট লম্বা একটি বিশাল অজগর উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা ঘুমানোর প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। খবর পেয়ে রাতেই ফাউন্ডেশনের সদস্যরা সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।
উদ্ধার করা তিনটি বন্যপ্রাণীই শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্রুতই এগুলোকে বনে অবমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন