ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান তুলে এখনও ৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। তানজিদ হাসান তামিমের দারুণ সেঞ্চুরি এবং নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের দায়িত্বশীল ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ। ফলে ২২৮ রানের বিশাল লিড নিয়ে অজিদের চেপে ধরে টাইগাররা।
এর আগে দিনের প্রথম সেশনের পর সফরকারীদের রানের চাকা বেশিদূর এগোয়নি। লাঞ্চের পরপরই অলআউট হয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেন জশ হ্যাজলউড, যার মধ্যে তৃতীয় দিনেই নেন ৪ উইকেট। এই দুর্দান্ত বোলিংয়ের পথ ধরেই ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই অভিজ্ঞ অজি পেসার।
বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের তোপ সামলাতে না পেরে মাত্র ৩৭ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন দলটির দুই ওপেনার। রানের খাতা খোলার আগেই জেক ওয়েদারাল্ডকে বোল্ড করার পর দারুণ ছন্দে থাকা ট্রাভিস হেডকেও বোল্ড করে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন হাসান।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে স্টিভ স্মিথ ও মারনাস লাবুশেন প্রতিরোধের চেষ্টা চালান। তবে চা বিরতির পর ৩১ রানে থাকা লাবুশেনকে বোল্ড করে ৩৬ রানের এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর ক্যামেরন গ্রিনকে সঙ্গে নিয়ে রান তোলার গতি কিছুটা বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন স্মিথ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি; মেহেদী হাসান মিরাজের বলে তার হাতেই সহজ ক্যাচ দিয়ে ৪৪ রানে সাজঘরে ফেরেন এই অজি ব্যাটার।
তবে দিনের শেষ ভাগে অজিদের আর কোনো ক্ষতি হতে দেননি গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। এই দুইজন ৯৪ বলে ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা চালান। দিনশেষে গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করার চ্যালেঞ্জ যেমন অজিদের সামনে, তেমনই জয়ের পথ সুগম করতে বাকি ৬ উইকেট যত দ্রুত সম্ভব তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগাররা।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান তুলে এখনও ৬৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। তানজিদ হাসান তামিমের দারুণ সেঞ্চুরি এবং নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের দায়িত্বশীল ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ। ফলে ২২৮ রানের বিশাল লিড নিয়ে অজিদের চেপে ধরে টাইগাররা।
এর আগে দিনের প্রথম সেশনের পর সফরকারীদের রানের চাকা বেশিদূর এগোয়নি। লাঞ্চের পরপরই অলআউট হয় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেন জশ হ্যাজলউড, যার মধ্যে তৃতীয় দিনেই নেন ৪ উইকেট। এই দুর্দান্ত বোলিংয়ের পথ ধরেই ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই অভিজ্ঞ অজি পেসার।
বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তরুণ পেসার হাসান মাহমুদের তোপ সামলাতে না পেরে মাত্র ৩৭ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন দলটির দুই ওপেনার। রানের খাতা খোলার আগেই জেক ওয়েদারাল্ডকে বোল্ড করার পর দারুণ ছন্দে থাকা ট্রাভিস হেডকেও বোল্ড করে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন হাসান।
প্রাথমিক ধাক্কা সামলে স্টিভ স্মিথ ও মারনাস লাবুশেন প্রতিরোধের চেষ্টা চালান। তবে চা বিরতির পর ৩১ রানে থাকা লাবুশেনকে বোল্ড করে ৩৬ রানের এই বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর ক্যামেরন গ্রিনকে সঙ্গে নিয়ে রান তোলার গতি কিছুটা বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন স্মিথ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি; মেহেদী হাসান মিরাজের বলে তার হাতেই সহজ ক্যাচ দিয়ে ৪৪ রানে সাজঘরে ফেরেন এই অজি ব্যাটার।
তবে দিনের শেষ ভাগে অজিদের আর কোনো ক্ষতি হতে দেননি গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। এই দুইজন ৯৪ বলে ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা চালান। দিনশেষে গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশকে দ্রুত অলআউট করার চ্যালেঞ্জ যেমন অজিদের সামনে, তেমনই জয়ের পথ সুগম করতে বাকি ৬ উইকেট যত দ্রুত সম্ভব তুলে নেওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগাররা।

আপনার মতামত লিখুন