বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা দিতে ছয় মাসের আলটিমেটাম দেওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বিদ্যুৎখাতের সমাধানে চারটি প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশাল মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকার পরও বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের দেয়া সমাধান প্রস্তাবনাগুলো তারা দেখেননি বা আমলে নেননি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান ইতিমধ্যেই সংসদীয় কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ১৫ দফা প্রস্তাবে তুলে ধরেছেন। তবে সরকার সেগুলো আমলে নেয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমত, বর্তমান প্রশাসনে দলীয় পদায়নের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি হারিয়ে গেছে। ফলে কোনো জ্বালানি পরিকল্পনা, দুর্ঘটনা মোকাবিলা কৌশল কিংবা দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে উৎপাদন খাত থেকে, অথচ অক্ষত রাখা হয়েছে ক্যাপাসিটি চার্জ।
দ্বিতীয়ত, মহেশখালীতে এফএসআরইউতে আগুন লাগার ঘটনার স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি। এটি নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয়ত, অন্তর্বর্তী সরকার অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছে না উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদকরা সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তাদের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবেন, যাতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো টাকা খরচ হবে না। কেবল প্রশাসনিক কিছু প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।চতুর্থত, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান বিরোধী দলের কাছে আছে, কিন্তু ক্ষমতা সরকারের হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে-সমাধান না থাকায় নাকি তা বাস্তবায়নে সক্ষমতা না থাকায় দেশ অন্ধকারে ছিল।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা দিতে ছয় মাসের আলটিমেটাম দেওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বিদ্যুৎখাতের সমাধানে চারটি প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশাল মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকার পরও বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের দেয়া সমাধান প্রস্তাবনাগুলো তারা দেখেননি বা আমলে নেননি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান ইতিমধ্যেই সংসদীয় কমিটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ১৫ দফা প্রস্তাবে তুলে ধরেছেন। তবে সরকার সেগুলো আমলে নেয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমত, বর্তমান প্রশাসনে দলীয় পদায়নের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি হারিয়ে গেছে। ফলে কোনো জ্বালানি পরিকল্পনা, দুর্ঘটনা মোকাবিলা কৌশল কিংবা দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে উৎপাদন খাত থেকে, অথচ অক্ষত রাখা হয়েছে ক্যাপাসিটি চার্জ।
দ্বিতীয়ত, মহেশখালীতে এফএসআরইউতে আগুন লাগার ঘটনার স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি। এটি নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয়ত, অন্তর্বর্তী সরকার অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছে না উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদকরা সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তাদের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবেন, যাতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো টাকা খরচ হবে না। কেবল প্রশাসনিক কিছু প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।চতুর্থত, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান বিরোধী দলের কাছে আছে, কিন্তু ক্ষমতা সরকারের হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে-সমাধান না থাকায় নাকি তা বাস্তবায়নে সক্ষমতা না থাকায় দেশ অন্ধকারে ছিল।

আপনার মতামত লিখুন