কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া হাজী শরীয়ত উল্লাহ একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে হামলার সময় পুলিশের ‘নীরব’ ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই সংসদ সদস্য।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুফতি আমির হামজা দাবি করেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে গণ অধিকার পরিষদের একদল ‘সন্ত্রাসী’ তার ওপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। তিনি বলেন, 'এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতে গণ অধিকার পরিষদের সন্ত্রাসীদের একটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা।'
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, 'হামলার সময় আমার গাড়ির সামনে সদর থানার ওসির গাড়ি এবং পেছনে সেকেন্ড ওসির গাড়ি ছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে, কিন্তু তারা সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করেছে। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে যদি আমারই নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হতে পারে, তা সহজেই বোঝা যায়।'
ঘটনার বিচার চেয়ে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন তিনি। দাবিগুলো হলো–আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করা। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে শান্তিকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবজাল হোসেন এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে গণ অধিকার পরিষদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া হাজী শরীয়ত উল্লাহ একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে হামলার সময় পুলিশের ‘নীরব’ ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই সংসদ সদস্য।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুফতি আমির হামজা দাবি করেন, শনিবার (১৫ আগস্ট) নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে গণ অধিকার পরিষদের একদল ‘সন্ত্রাসী’ তার ওপর পরিকল্পিত হামলা চালায়। তিনি বলেন, 'এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতে গণ অধিকার পরিষদের সন্ত্রাসীদের একটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা।'
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, 'হামলার সময় আমার গাড়ির সামনে সদর থানার ওসির গাড়ি এবং পেছনে সেকেন্ড ওসির গাড়ি ছিল। পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে, কিন্তু তারা সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করেছে। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে যদি আমারই নিরাপত্তা না থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হতে পারে, তা সহজেই বোঝা যায়।'
ঘটনার বিচার চেয়ে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন তিনি। দাবিগুলো হলো–আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করা। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে শান্তিকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবজাল হোসেন এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে গণ অধিকার পরিষদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন